সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে গাজোল বিধানসভায় প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। দীর্ঘ ২৭ বছর পর ওই আসনে হেরে যায় বামেরা। তারপর সেখানে তৃণমূল একবারও জিততে পারেনি। তৃণমূলের দাবি, মমতাকে দেখে ওই সময় গাজোলে ভোট হওয়ায় জিতেছিল কংগ্রেস। তবে, এবার রাজ্য সরকারের উন্নয়নে ভর করে বাজিমাত করবে বলে দাবি করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
গাজোলে করকচে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলার প্রথম অলচিকি হাইস্কুল নির্মাণ প্রায় শেষ। সেখানে আদিবাসী ছেলেমেয়েরা পড়তে পারবে। গাজোল - বামনগোলা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য পাঁচটি সেতু, গ্রামীণ থেকে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে উন্নীত করা, পথশ্রী ও পাড়ায় সমাধান প্রকল্পে ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক রাস্তা পাকা, সাবমার্সিবল, নিকাশিনালা করার কথা জোর প্রচার করছে তৃণমূল।
গাজোলে তৃণমূল জিতলে বিধায়কের মাধ্যমে পুরসভা, দমকল কেন্দ্রের বাস্তবায়ন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের গাজোল ব্লক সভাপতি রাজকুমার সরকার বলেন, অতীতে জোট হওয়ায় তৃণমূলের সমর্থনে কংগ্রেস গাজোলে জিতেছিল। এবার উন্নয়নকে হাতিয়ার করে জোড়াফুল ফুটবে।
১৯৭২ সালে গাজোলে জেতে কংগ্রেস। ১৯৭৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ওই আসন দখলে ছিল বামেদের। ২০১১ সালে গাজোলে পরিবর্তন হয়। ২০১৬ সালে দ্বিতীয় স্থানে ছিল তৃণমূল। গতবার মাত্র ১ হাজার ৭৯৮ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী। বদলের লক্ষ্যে এবার মরিয়া হয়ে ২৭২টি বুথে নজর দিয়েছে তৃণমূল।
কংগ্রেসের গাজোল ব্লক সভাপতি প্রেম চৌধুরী বলেন, এবার পদ্ম এবং জোড়াফুল হারবে। কংগ্রেস একাই লড়াই করে জিতবে।
বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের কথায়, গাজোল বিজেপির মাটি। রাজ্য সরকার এখানে কাজ করেনি। বিধায়ক ফান্ড থেকে উন্নয়নের আপ্রাণ চেষ্টা করেছি।