


সংবাদদাতা, কল্যাণী: শুক্রবার সকালে পুরসভার কাজে স্থানীয় কাউন্সিলার বাধা দেন। এই নিয়ে শোরগোল পড়ে। মহিলা কাউন্সিলারকে ধাক্কা দিয়ে হেনস্তার পাশাপাশি তাঁর অনুগামীকে জুতো ছুঁড়েও মারা হয়। এমন অভিযোগ উঠেছে পুরপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে।
গয়েশপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জলাশয়ের ধারে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। স্থানীয় কাউন্সিলার স্বপ্না অধিকারীর অভিযোগ, সেই কাজের নির্দিষ্ট কোনও ওয়ার্ক অর্ডার দেখাতে পারেননি কেউ। স্থানীয় কাউন্সিলার হিসেবে অর্ডার দেখতে চাইলে আমাকে হেনস্তা করা হয়। এলাকার মহিলাদের একাংশ তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁর অনুগামীকেও জুতো ছুড়ে হেনস্তা করা হয়। কাউন্সিলারের দাবি, বিক্ষোভকারীরা পুরপ্রধানের অনুগামী।
পাল্টা কাউন্সিলার ও তাঁর অনুগামীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের থেকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। পরে কল্যাণী থানার পুলিস এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গোটা ঘটনাটি পুরপ্রধান ও কাউন্সিলারের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল বলে বিরোধীদের অভিযোগ।
এই বিষয়ে কাউন্সিলার স্বপ্না অধিকারী বলেন, আমাকে ওয়ার্ক অর্ডার দেখাবে, তারপর কাজ করতে দেব। সব অবৈধ কাজ হচ্ছে। অবৈধ কাজ বন্ধ করতে গেলে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা আমাকে হেনস্তা করেন। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে গয়েশপুরের পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, সমস্ত কাজেরই ওয়ার্ক অর্ডার রয়েছে। কাউন্সিলার চাইলে নিশ্চয়ই দেখানো হবে। আমার অনুগামী হিসেবে নয়, উন্নয়নের কাজে কাউন্সিলার বাধা দিতে গিয়েছিলেন বলে স্থানীয় মহিলারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।