Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নলহাটিতে ফের একই এপিক নম্বরে দু’জন ভোটারের খোঁজ পেল তৃণমূল

নলহাটিতে ফের একই এপিক নম্বরে দু’জন ভোটারের খোঁজ পেল তৃণমূল
  • ১০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ফের একই এপিক নম্বরে দু’জন ভোটারের খোঁজ মিলল। দলের নির্দেশে তৃণমূলের নলহাটি ২ ব্লক নেতৃত্ব বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সময় এই অনিয়ম ধরে ফেলেন। ২৯২ হাসন বিধানসভার শীতল গ্রামের বাসিন্দা চন্দন সূত্রধরের এপিক নম্বরে  ১৫০ যাদবপুর বিধানসভার শম্পা মণ্ডলের নামও নথিভুক্ত রয়েছে। চন্দনের এপিক কার্ডের পার্ট নম্বর ৯০ ও শীতলগ্রাম হাইস্কুল বুথের ভোটার বলে উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে যাদবপুরের পূর্বাশা সাংস্কৃতিক চক্র বুথের ভোটার ও পার্ট নম্বর ১৪৭ বলে উল্লেখ রয়েছে শম্পার এপিক কার্ডে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূলের এই ব্লকের ফাইভম্যান কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল হক শীতল গ্রামের চন্দন সূত্রধরকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করে বলেন, বিজেপি গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল দলের সঙ্গে পেরে উঠছে না। সামনের বিধানসভা নির্বাচনে ওরা জেতার জন্য অগণতান্ত্রিক উপায় অবলম্বন করতে চাইছে। আমাদের ভোটারদের এপিক নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো ভোটার তালিকায় ঢুকিয়ে ভোট করানোর ষড়যন্ত্র করছে। মহারাষ্ট্র ও দিল্লিতে একই পদ্ধতিতে ভোট দখল করে ওরা জয়লাভ করেছে। এবার বাংলাতেও সেই চেষ্টা শুরু করেছে। কিন্তু আমরা, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা যেভাবে ভুয়ো ভোটার ধরতে মাঠে নেমেছি, তাতে এই চক্রান্ত রুখে দেবই। যদিও এদিন চন্দনের বাড়ি গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, পরিবারের সকলে দিনমজুরির কাজে কলকাতার গড়িয়াতে  রয়েছেন। চন্দনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি জেনে আকাশ থেকে পড়েন। তিনি বলেন, আমি কলকাতায় থাকলেও ভোটের সময় গ্রামে গিয়ে ভোট দিই। কী করে এটা হল জানি না। জেনে এখন বড় সমস্যায় পড়লাম। গ্রামে গিয়ে ব্লকে অভিযোগ জানাব। স্থানীয় মানুষজন এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। কীভাবে একই এপিক নম্বরে ভিন্ন জেলার দুই ব্যক্তির নাম থাকতে পারে, তা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা। চন্দনের দাবি, তাঁর এপিক নম্বর অন্য জেলার ভোটারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাঁকে হয়তো নানা জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে।   

Advertisement

এ ব্যাপারে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। গত রামপুরহাট পুরসভা নির্বাচনের সময় প্রথম আমরাই ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ করেছিলাম। কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। যাঁরা ভোটার তালিকায় নাম তোলেন, সেইসব সরকারি কর্মীরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। জবাব তো তাঁরাই দেবেন। নির্বাচন কমিশন দিল্লি থেকে এসে তো নাম তোলে না। আজ নিজেদের পাতা ফাঁদে যখন নিজেরাই পড়েছে, তখন অহেতুক বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ