উজ্জ্বল রায়, ধূপগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে গ্রাম বনাম শহরের ভোট সমীকরণই ক্রমশ নির্ণায়ক হয়ে উঠছে ধূপগুড়িতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, শহরে বিজেপি কিছুটা প্রভাব বিস্তার করলেও গ্রামাঞ্চলের ভোটেই শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ভর করবে। আর সেই গ্রামাঞ্চলেই বাজিমাতের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস।
ধূপগুড়ি বিধানসভার ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে গধেয়ারকুঠি ও গাদং-২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে। সাঁকোয়াঝোরা-২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে সিপিএমের নিয়ন্ত্রণে। বাকি অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতেই তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী বলে দাবি শাসকদলের। ফলে গ্রামীণ ভোটব্যাংককে হাতিয়ার করেই এগতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের দাবি, রাজ্য সরকারের একাধিক জনমুখী প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী এবং বেকার ভাতা গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে মহিলা ও যুব ভোটারদের মধ্যে এই প্রকল্পগুলির গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্ট বেশি। সেই কারণেই গ্রামাঞ্চলে স্পষ্ট সুবিধা পাচ্ছে তৃণমূল।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, ধূপগুড়ির গ্রামই আমাদের শক্তির জায়গা। মানুষ উন্নয়ন দেখেছেন, সুবিধা পেয়েছেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কন্যাশ্রী-প্রতিটি প্রকল্পই মানুষের জীবনে পরিবর্তন এনেছে। তাই আমরা নিশ্চিত, গ্রামাঞ্চলের ভোটেই আমরা বাজিমাত করব।
অন্যদিকে, বিজেপির তরফে এই দাবিকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা চন্দন দত্ত বলেন, তৃণমূল শুধু প্রকল্পের নাম করে ভোট চাইছে। বাস্তবে গ্রামে বেকারত্ব, দুর্নীতি, রাস্তা-জল-পরিষেবার অভাব নিয়ে মানুষের ক্ষোভ তীব্র। মানুষ এবার পরিবর্তন চাইছে।