Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ওন্দায় অভিষেকের ‘ভোকাল টনিকে’ চাঙ্গা ঘাসফুল শিবির

ওন্দায় অভিষেকের ‘ভোকাল টনিকের’ পর চাঙ্গা তৃণমূল শিবির। ওন্দার লাল মাটি থেকে পদ্ম কাঁটা তুলতে ঘাসফুল শিবিরের নেতা-কর্মীরা কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন।

ওন্দায় অভিষেকের ‘ভোকাল টনিকে’ চাঙ্গা ঘাসফুল শিবির
  • ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ওন্দায় অভিষেকের ‘ভোকাল টনিকের’ পর চাঙ্গা তৃণমূল শিবির। ওন্দার লাল মাটি থেকে পদ্ম কাঁটা তুলতে ঘাসফুল শিবিরের নেতা-কর্মীরা কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন। অভিষেকের রোড শোয়ে ভিড় দেখে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা কিছুটা মুষড়ে পড়েছেন বলে তৃণমূলের দাবি। যদিও বিজেপি পাল্টা প্রচারে ঝাঁপানোর কথা বলছে। 

Advertisement

শুক্রবার প্রচারের ফাঁকে ওন্দার তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত দত্ত বলেন, দলের সেনাপতির ভাষণ শুনে কর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। এমনিতেই তাঁরা গত এক মাস ধরে ওন্দায় জোরকদমে প্রচার করছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার পর প্রচারে আরও ঝাঁঝ বেড়েছে। ওন্দাবাসী আমাকে বিধানসভায় পাঠালে আগামী পাঁচ বছর ভাতা সহ অন্যান্য খাতে পাওয়া যাবতীয় সরকারি অর্থ এলাকার উন্নয়নে দান করব। এক টাকাও বাড়ি নিয়ে যাব না। 
ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা বলেন, অন্য বিধানসভা এলাকা থেকে লোক জড়ো করে ভিড় সবাই দেখাতে পারে। ওন্দায় এবার আরও বেশি ব্যবধানে আমরা জয়লাভ করব। তৃণমূল হাজার চেষ্টা করেও ওন্দা পুনরুদ্ধার করতে পারবে না। 
ওন্দা ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, ওন্দায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের রোড শোয়ে ভিড় দেখে বিজেপি-র মাথা ঘুরে গিয়েছে। তাই ওরা অন্য জায়গা থেকে লোক আনার কথা বলছে। ওন্দার লোককেই আমরা জাতীয় সড়কের দু’পাশে জায়গা দিতে পারিনি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকালে ওন্দা স্টেডিয়াম থেকে চৌমাথা মোড় পর্যন্ত ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রোড শো করেন। তাতে রেকর্ড ভিড় হয়। গত ১৫ বছরে বাঁকুড়ার কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ওইরকম ভিড় ও স্বতঃস্ফূর্ততা দেখেননি বলে অভিষেক তাঁর ভাষণে শিকার করেন। তাতে তৃণমূলের মনোবল বেড়ে যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ওন্দায় ১১ হাজার ভোটে জয় পেয়েছিল। তার আগে ওই কেন্দ্রে পরপর দু’বার তৃণমূল জিতেছিল। ওন্দায় এবারও প্রথম দিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ সভা করার পর গেরুয়া শিবির চাঙ্গা হয়েছিল। ওন্দা ধরে রাখার ব্যাপারে ঘনিষ্ঠ মহলে বিজেপি নেতারা আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছিলেন। তবে বৃহস্পতিবারের রোড শোয়ের পর বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে। তৃণমূলের জনসমর্থন দেখে বিজেপি নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। প্রচারের শেষ লগ্নে দলের কর্মীরা মনোবল হারিয়ে ফেললে ভোটে প্রভাব পড়বে বলে গেরুয়া শিবিরের আশঙ্কা। ফলে অঞ্চলভিত্তিক কার্যকর্তাদের মাধ্যমে বিজেপি নেতারা দলীয় কর্মীদের আস্থা জোগানোর চেষ্টা করছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ