সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া : কেউ কাটালেন ছুটির মেজাজে, কেউ রওনা দিয়েছিলেন ধর্মতলা। তৃণমূলের শহিদ স্মরণে ভিন্ন মেজাজে ধরা দিল রাজ্য। গ্রামীণ হাওড়ার রাস্তাঘাট ছিল প্রায় শুনশান। বাস কম ছিল। রাস্তায় বেরিয়েছিলেন কম মানুষ।
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া : কেউ কাটালেন ছুটির মেজাজে, কেউ রওনা দিয়েছিলেন ধর্মতলা। তৃণমূলের শহিদ স্মরণে ভিন্ন মেজাজে ধরা দিল রাজ্য। গ্রামীণ হাওড়ার রাস্তাঘাট ছিল প্রায় শুনশান। বাস কম ছিল। রাস্তায় বেরিয়েছিলেন কম মানুষ।
রবিবার রাত থেকে শয়ে শয়ে বাস ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা দেওয়ায় সোমবার সকাল থেকে হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাসের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকী দূরপাল্লার বাসের দেখাও সেভাবে না পাওয়ায় বেলা বাড়তেই কার্যত শুনশান হয়ে যায় ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। জাতীয় সড়কের পাশে থাকা বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে নিত্যযাত্রীদের ভিড়ও সেভাবে চোখে পড়েনি। তবে শুধু জাতীয় সড়ক নয় এদিন আমতা, শ্যামপুর, উদয়নারায়ণনপুরেও বাস কম থাকায় অনেকেই নির্ভেজাল ছুটির মজা উপভোগ করেছেন। সূত্রের খবর, সোমবার শ্যামপুর থেকে ৭৪টি বাস, উদয়নারায়ণপুর থেকে ৮৪টি বাস এবং আমতা থেকে ৭০টি বাস ধর্মতলায় গিয়েছিল। শ্যামপুরের শেখ ইলিয়াস বড়বাজারে একটি দোকানে কাজ করেন। তিনি জানান, অন্যবারে কোনওরকমে বড়বাজার পৌঁছলেও ফেরার সমস্য প্রচুর সমস্যা পোহাতে হয়েছে। সেইকারণে এবার যাইনি। উদয়নারায়ণপুরের অসিত মাইতি কলকাতার একটি রাষ্টায়ত্ত সংস্থায় কাজ করেন। সোমবার তিনিও অফিস থেকে ছুটি নিয়েছিলেন। চায়ের দোকানে দিনভর চলে আড্ডা। রাজনীতির আলোচনার সঙ্গেই মোবাইলে চোখ ছিল ধর্মতলার মঞ্চে। কী বললেন তৃণমূল নেত্রী জানার আগ্রহ ছিল সকলেরই।
উলুবেড়িয়া থেকে নদীপথ, সড়ক পথের পাশাপাশি রেলপথেও ধর্মতলায় গিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের উৎসাহ দিতে লোকাল ট্রেনে চেপে ধর্মতলার পথে রওনা দিয়েছিলেন মন্ত্রী পুলক রায়। উলুবেড়িয়ার কালীনগর থেকে একাধিক নৌকায় চেপে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা দেন। পুলক রায় বলেন, আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন তৃণমূল কর্মী। তাই দলের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে ট্রেনে চেপে ধর্মতলায় গেলাম। অন্যদিকে, এদিন স্টেশনগুলিতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় হওয়ার কারণে উলুবেড়িয়া স্টেশনে জিআরপি’র পক্ষ থেকে বুথ খোলা হয়েছিল। প্ল্যাটফর্মে পুলিস কুকুর দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।