সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুরের বিধায়ক তথা শিল্পপতি জাকির হোসেনের সূতির বিড়ি কারখানার অফিসে চলল ম্যারাথন তল্লাশি। জিএসটি ও আয়কর দপ্তরের অফিসাররা ওইদিন মধ্যরাতে জাকির সাহেবের অফিস থেকে বের হন। তারপরই স্বস্তি পান কারখানার কর্মী ও শ্রমিকরা। তদন্তকারীরা বেরিয়ে যেতেই বিধায়কের অনুগামীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে জাকির সাহেবের অভিযোগ, তদন্তের নামে বারবার তাঁকে হয়রান করা হচ্ছে। জাকির সাহেব বলেন, আমি আইন মেনেই ব্যবসা করি। ৩০ হাজার শ্রমিকের রুজি রোজগারের ব্যাপার রয়েছে। শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। তাই যত কম এসব হয় সবার জন্যই মঙ্গল। এভাবে বারবার হয়রানি না করে কেন্দ্রীয় সংস্থা আমাদের নোটিস করুক। আমরা সব প্রশ্নের জবাব দেব।
Advertisement
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ আচমকাই জিএসটি ও আয়কর দপ্তরের অফিসাররা জাকির সাহেবের অরঙ্গাবাদ ও মহালদারপাড়ার কারখানায় হানা দেন। ওই সময় জাকির সাহেব তাঁর অরঙ্গাবাদের বাড়িতেই ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযানের খবর পেয়ে তিনি অরঙ্গাবাদের কারখানায় যান। দীর্ঘ প্রায় আট ঘণ্টা ধরে সেখানে তল্লাশি চালান অফিসাররা। রাত ১০টা নাগাদ কিছু সময়ের জন্য জাকির সাহেব বাইরে বেরিয়ে আসেন। পাশেই কিছুটা দূরে হক সাহেব মোড়ের বাড়িতে যান। রাতে খাওয়াদাওয়া সেরে তিনি ফের কারখানায় যান। তখনও তদন্ত জারি ছিল। তদন্তকারী অফিসারদের গাড়ি যখন জাকির সাহেবের কারখানা অফিস থেকে বেরিয়ে যায় তখন রাত প্রায় ২টো। কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের ১৮টি গাড়ি একে একে কারখানা থেকে বের হয়। কারখানার বাইরে তখন ভিড়ে থিক থিক করছে। বিধায়কের কয়েক হাজার অনুগামী থেকে স্থানীয় উৎসুক জনতা কারখানার বাইরে ভিড় জমিয়ে ছিলেন। আটকে পড়া শ্রমিকরাও কারখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে বেরিয়ে আসেন জাকির সাহেব। তারপরই তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রায় ফি বছরই কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তের নামে তাঁকে হয়রানি করে। প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক নিয়ে তিনি কাজ করেন। সামান্য কিছু এদিক ওদিক হতেই পারে। শ্রমিকদের তিনি ভালো চান।
কাজিপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা লিটন শেখ বলেন, এই এলাকাতেই বড় হয়েছি। উনি গরিব মানুষের আপদে বিপদে পাশে থাকেন। এরকম মানুষের উপর বোমা হামলাও হয়েছে। সাধারণ মানুষের দোয়া আশীর্বাদেই তিনি বেঁচে গিয়েছেন।
তবে বুধবার সকালেই জাকির সাহেব তাঁর রঘুনাথগঞ্জের বাসভবন জনতার দরবারে আসেন। সেখানে তিনি তার দলীয় কর্মী ও অনুগামীদের নিয়ে খোশ মেজাজেই কিছু সময় কাটান। বিধায়ক বলেন, অফিসারদের ধন্যবাদ দেব। আমি তাঁদের সঙ্গে আট ঘণ্টা ধরে সহযোগিতা করেছি। তাঁদের কাজ তাঁরা করেছেন। আশা করি, তাঁরা ভালো রিপোর্ট দেবেন।
কাজিপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা লিটন শেখ বলেন, এই এলাকাতেই বড় হয়েছি। উনি গরিব মানুষের আপদে বিপদে পাশে থাকেন। এরকম মানুষের উপর বোমা হামলাও হয়েছে। সাধারণ মানুষের দোয়া আশীর্বাদেই তিনি বেঁচে গিয়েছেন।
তবে বুধবার সকালেই জাকির সাহেব তাঁর রঘুনাথগঞ্জের বাসভবন জনতার দরবারে আসেন। সেখানে তিনি তার দলীয় কর্মী ও অনুগামীদের নিয়ে খোশ মেজাজেই কিছু সময় কাটান। বিধায়ক বলেন, অফিসারদের ধন্যবাদ দেব। আমি তাঁদের সঙ্গে আট ঘণ্টা ধরে সহযোগিতা করেছি। তাঁদের কাজ তাঁরা করেছেন। আশা করি, তাঁরা ভালো রিপোর্ট দেবেন।



