সংবাদদাতা, পতিরাম: তিন সিম বিক্রেতা ধরা পড়ার পরই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার টেলিকম অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করল পুলিস। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ, সাইবার থানার আইসি সৌরভ ঘোষ সহ সাইবার বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। কীভাবে অন্যের নামে সিম চালু করা হচ্ছে? সেবিষয়ে টেলিকম অপারেটরদের কাছে জেনে নেন পুলিস আধিকারিকরা। পাশাপাশি অপারেটরদের নানা নির্দেশও দিয়েছে পুলিস। পুলিসের নির্দেশ, যারা সিম বিক্রি করছে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কে কোথায় সিম বিক্রি করছে, সেই তথ্য পুলিসকে দিতে হবে। পুলিস সূত্রে খবর, গ্রাহকের অজান্তেই বেশকিছু সিম বিক্রেতা জালিয়াতি করে ডুপ্লিকেট সিম বের করে নিচ্ছে। আর তা কাজে লাগাচ্ছে সাইবার প্রতারণার কাজে। খোলা বাজারে অটো, টোটো এবং ছাতার নীচে অফারে সিম বিক্রির ওপর এবার নজরদারি চালাবে পুলিস। সিম জালিয়াতি রুখতে আরও একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিস ও টেলিকম অথরিটি।
Advertisement
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, ইতিমধ্যে তিনজন সিম বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই সিম বিক্রেতারা সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তাই জেলার বিভিন্ন সিম অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
কীভাবে হচ্ছে এই সিম জালিয়াতি? পুলিস সূত্রে খবর, জেলাজুড়ে নানা জায়গায় সিম বিক্রি হচ্ছে। কখনও নানা অফার দিয়ে টোটো, অটো এমনকী ক্যাম্প করে সিম বিক্রি হয়। সিম কিনতে গেলেই গ্রাহকদের আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। অভিযোগ, বিক্রেতারা গ্রাহকদের আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার পর লিঙ্ক ফেল বলে দ্বিতীয়বার নম্বর ও ছাপ নেয়। গ্রাহকদের ঠকিয়ে একটি সিম তাকে দেওয়ার পর দ্বিতীয় সিমটি নিজের কাছে রেখে দেয় বিক্রেতা। তারপর সেই সিম দিয়ে চলে সাইবার প্রতারণা।
অনেক সময় আবার নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ডকুমেন্টস আদায় করে সিম তোলা হচ্ছে। এমন ১৬৪ টি সিম কার্ড নানা সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। ওই সিমের মাধ্যমে কোথাও ফেক কল করা হয়েছে, আবার কোথাও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কাজে লাগানো হয়েছে। ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টাল থেকে এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত নেমে একের পর এক বিষয় সামনে আসছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একজনের নামে ন’টির বেশি সিম তোলা যায় না। একই ব্যক্তির নামে আরও একাধিক সিম রয়েছে কিনা তা সঞ্চার নিগম অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে। এনিয়ে সাইবার ক্রাইম থানা প্রচারে নামতে শুরু করেছে।
কীভাবে হচ্ছে এই সিম জালিয়াতি? পুলিস সূত্রে খবর, জেলাজুড়ে নানা জায়গায় সিম বিক্রি হচ্ছে। কখনও নানা অফার দিয়ে টোটো, অটো এমনকী ক্যাম্প করে সিম বিক্রি হয়। সিম কিনতে গেলেই গ্রাহকদের আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। অভিযোগ, বিক্রেতারা গ্রাহকদের আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার পর লিঙ্ক ফেল বলে দ্বিতীয়বার নম্বর ও ছাপ নেয়। গ্রাহকদের ঠকিয়ে একটি সিম তাকে দেওয়ার পর দ্বিতীয় সিমটি নিজের কাছে রেখে দেয় বিক্রেতা। তারপর সেই সিম দিয়ে চলে সাইবার প্রতারণা।
অনেক সময় আবার নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ডকুমেন্টস আদায় করে সিম তোলা হচ্ছে। এমন ১৬৪ টি সিম কার্ড নানা সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। ওই সিমের মাধ্যমে কোথাও ফেক কল করা হয়েছে, আবার কোথাও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কাজে লাগানো হয়েছে। ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টাল থেকে এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত নেমে একের পর এক বিষয় সামনে আসছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একজনের নামে ন’টির বেশি সিম তোলা যায় না। একই ব্যক্তির নামে আরও একাধিক সিম রয়েছে কিনা তা সঞ্চার নিগম অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে। এনিয়ে সাইবার ক্রাইম থানা প্রচারে নামতে শুরু করেছে।



