নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের লিস্টে নাম এসেছিল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের পরিবারের। তিনি সেই বাড়ি ফেরত দিলেন। এই ঘটনায় খুশি এলাকার মানুষ। ছবিটা খড়্গপুর গ্রামীণের পাঁচখুরি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। জানা গিয়েছে, এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান যমুনা বাস্কের বাড়িতে সার্ভের জন্য এসেছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেই সময় প্রধানের পরিবারের তরফে বাড়ি ফেরত দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মেদিনীপুরের মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, জোর কদমে সার্ভের কাজ চলছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচখুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়ি মুন্সি পাটনা গ্রামে। তাঁর শাশুড়ি দুলারি বাস্কের নামেই বাড়ি এসেছে। তাঁর শ্বশুর মঙ্গল বাস্কে তৃণমূলের বুথ সভাপতি। তাঁদের মাটির বাড়ি থাকলেও, তাঁরা সরকারি বাড়ি নিতে চাননি বলেনি জানা গিয়েছে।
এদিন পাঁচখুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান যমুনা বাস্কে বলেন, আমাদেরও মাটির বাড়ি রয়েছে। তবে একটা পাকা বাড়ি থাকায় আমরা বাড়ি নেব না। যাঁদের বাড়ির প্রয়োজন রয়েছে, তাঁরাই বাড়ি পান। আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বহু মানুষের সরকারি প্রকল্পের আওতায় বাড়ির প্রয়োজন। প্রশাসনের কাছে আবেদন, সঠিক মানুষ যেন বাড়ি পান। প্রসঙ্গত, আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা চলছে। আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আবাস যোজনার টাকা আটকে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় রাজ্য সরকারের তরফে সার্ভে করার কাজও শুরু হয়েছে। অর্থাৎ রাজ্য সরকার চাইছে, স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের মাথার উপর ছাদ তৈরি করতে। শুধু মেদিনীপুর জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩ লক্ষের বেশি মানুষ আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। ২০২১-২২ সালের তালিকা অনুযায়ী শুরু হয়েছে সার্ভে। জেলায় ১ হাজার ৩০০টি গ্রুপ এই সার্ভে করার কাজ করছেন।
এনিয়ে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, আবাস নিয়ে দেদার দুর্নীতি হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত প্রধান কেন বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। এটা একটা নাটক। বুঝে গিয়েছে ধরা পড়ে যাবেন। আসলে তৃণমূল মানেই দুর্নীতি।
জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার জেরে বহু মানুষ বাড়ি পাননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে বাড়ি দেবেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে প্রশাসন। দলের নির্দেশে কর্মীরা একাজে সহযোগিতা করছেন।
এদিন পাঁচখুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান যমুনা বাস্কে বলেন, আমাদেরও মাটির বাড়ি রয়েছে। তবে একটা পাকা বাড়ি থাকায় আমরা বাড়ি নেব না। যাঁদের বাড়ির প্রয়োজন রয়েছে, তাঁরাই বাড়ি পান। আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বহু মানুষের সরকারি প্রকল্পের আওতায় বাড়ির প্রয়োজন। প্রশাসনের কাছে আবেদন, সঠিক মানুষ যেন বাড়ি পান। প্রসঙ্গত, আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা চলছে। আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আবাস যোজনার টাকা আটকে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় রাজ্য সরকারের তরফে সার্ভে করার কাজও শুরু হয়েছে। অর্থাৎ রাজ্য সরকার চাইছে, স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের মাথার উপর ছাদ তৈরি করতে। শুধু মেদিনীপুর জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩ লক্ষের বেশি মানুষ আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। ২০২১-২২ সালের তালিকা অনুযায়ী শুরু হয়েছে সার্ভে। জেলায় ১ হাজার ৩০০টি গ্রুপ এই সার্ভে করার কাজ করছেন।
এনিয়ে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, আবাস নিয়ে দেদার দুর্নীতি হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত প্রধান কেন বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। এটা একটা নাটক। বুঝে গিয়েছে ধরা পড়ে যাবেন। আসলে তৃণমূল মানেই দুর্নীতি।
জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার জেরে বহু মানুষ বাড়ি পাননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে বাড়ি দেবেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে প্রশাসন। দলের নির্দেশে কর্মীরা একাজে সহযোগিতা করছেন।



