সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: মঙ্গলবার কৃষ্ণগঞ্জ থানার তালদহ মাঝদিয়া পঞ্চায়েতের উপসমিতির সদস্য নির্বাচন ঘিরে গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়াল। পুলিস ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ, উপসমিতির সদস্য নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে পঞ্চায়েত অফিসে তাদের দুজন সদস্যকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করা হয়েছে পুলিস ও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত ২২ আসন বিশিষ্ট তালদহ মাঝদিয়া পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ ও বিজেপির ১২ জন সদস্য ছিল। গত আগস্ট মাসে তালদহ মাঝদিয়া পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান বাসন্তী হালদার ও বিজেপি সদস্যা বিভা বিশ্বাস তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এরপর থেকেই এই পঞ্চায়েতে বিজেপির শক্তি ক্ষয় হচ্ছে। একইসঙ্গে তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কৃষ্ণগঞ্জ থানার তালদহ মাঝদিয়া পঞ্চায়েতের উপসমিতির সদস্য নির্বাচন ছিল। চারটি উপসমিতির একটি করে সদস্যর নির্বাচন ছিল। এই নির্বাচনে দু’ দলের পঞ্চায়েত সদস্য ও দুজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন। ২২ আসন বিশিষ্ট তালদহ মাঝদিয়া পঞ্চায়েতে দুজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নিয়ে মোট ২৪ জন সদস্যর অংশ গ্রহণ করার কথা থাকলেও এদিন দু’ দলের মোট ১৯ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এদিন দুপুর একটার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন ও বিজেপির একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নিয়ে মোট ১৯ জন সদস্যই পঞ্চায়েতের ভেতর প্রবেশ করেন। কিন্ত বিজেপির দুই সদস্য দেরি করে এলে পুলিসের সঙ্গে তাদের বাক বিতণ্ডা বেধে যায়। এ নিয়ে এই পঞ্চায়েতের বিজেপি উপপ্রধান অরুণ সিংহর অভিযোগ, পাঁচ মিনিট দেরি হয়েছিল। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা ও পুলিস দুই পঞ্চায়েত সদস্যকে ভেতরে আসতে দেয়নি। তিনি বলেন, আমরা ভেতরে ৮ জন ছিলাম। এর প্রতিবাদে জানিয়ে আমরা বেরিয়ে যাই। এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ওই পঞ্চায়েতের সদস্য ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শুভদীপ সরকার বলেন, এখানে আমরা কাউকে আটকাইনি। ওদের সদস্যরা আসেনি।



