নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ময়নাগুড়ির যুব তৃণমূল নেতা পাপন চাকলাদারের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগে এবার পুলিস সুপারের দ্বারস্থ হলেন বাসিন্দারা। শুক্রবার ময়নাগুড়ি রোড এলাকার উল্লারডাবরির বাসিন্দা প্রফুল্ল সরকার, তাঁর ভাই ললিত সরকারের স্ত্রী বীণা সরকার সহ অনেকে জলপাইগুড়িতে এসে এসপি’র সঙ্গে দেখা করে ওই নেতার বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁদের কারও অভিযোগ, পারিবারিক ঝামেলা মেটানোর নাম করে ঢুকে ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই নেতা। কারও আবার অভিযোগ, জমি-বাড়ি দখলের চেষ্টায় মাঝেমধ্যেই দলবল নিয়ে চড়াও হচ্ছেন অভিযুক্ত পাপন। ওই নেতার ভয়ে এলাকায় থাকতে পারছেন না তাঁরা। অভিযোগ দায়ের করার পরও পুলিস ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করছে না। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ মিথ্যে বলে এদিন দাবি করেছেন অভিযুক্ত নেতা পাপন চাকলাদার। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ইমেজ নষ্ট করতেই এসব মিথ্যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এর পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। পুলিসকে তিনি যা জানানোর জানিয়েছেন। জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, অনেক আগেই মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে। পুলিস প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
Advertisement
এদিন পুলিস সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বেরিয়ে এসে প্রফুল্ল সরকারের জামাই বাপ্পা দাস বলেন, হাইওয়ের জন্য দেওয়া জমির বিনিময়ে আমার শ্বশুর মোটা টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ঝামেলা শুরু হয়। তা মেটানোর নাম করে ধাপে ধাপে ২৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন ওই নেতা। এখন টাকা চাইতে গেলে আমার বৃদ্ধ শ্বশুরকে হুমকি দিচ্ছেন অভিযুক্ত। পুলিস সুপারকে বিষয়টি জানালাম। তিনি টাকা নেওয়ার প্রমাণপত্র থানায় জমা দিতে বলেছেন।
জলপাইগুড়ি পুলিস লাইনে দাঁড়িয়ে ললিত সরকারের স্ত্রী বীণা সরকার বলেন, সম্পত্তি নিয়ে স্বামী ও ভাসুরের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়। সেই ঝামেলা মেটাতে এসে পাপন চাকলাদার আমাদের জমি-বাড়ি দখলের চেষ্টা করেন। বাড়ি পুড়িয়ে দেন। বাধ্য হয়ে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই। এতদিন পর এলাকায় ফিরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতেই ফের ওই নেতার অত্যাচার শুরু হয়েছে। বাড়িতে মিস্ত্রি কাজ করায় দেখভালের জন্য আমার ভাগ্নেজামাই ও তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁদের উপরও চড়াও হয়েছেন অভিযুক্ত। সবটাই পুলিস সুপারকে জানানো হল।
জলপাইগুড়ি পুলিস লাইনে দাঁড়িয়ে ললিত সরকারের স্ত্রী বীণা সরকার বলেন, সম্পত্তি নিয়ে স্বামী ও ভাসুরের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়। সেই ঝামেলা মেটাতে এসে পাপন চাকলাদার আমাদের জমি-বাড়ি দখলের চেষ্টা করেন। বাড়ি পুড়িয়ে দেন। বাধ্য হয়ে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই। এতদিন পর এলাকায় ফিরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতেই ফের ওই নেতার অত্যাচার শুরু হয়েছে। বাড়িতে মিস্ত্রি কাজ করায় দেখভালের জন্য আমার ভাগ্নেজামাই ও তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁদের উপরও চড়াও হয়েছেন অভিযুক্ত। সবটাই পুলিস সুপারকে জানানো হল।



