সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ছ’তলা অত্যাধুনিক ভবন অনেকদিন আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। অধিকাংশ অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও এসে গিয়েছে। তবু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। নিয়ম রক্ষার্থে কয়েকটি বিভাগের আউটডোর পরিষেবা চালু করা হলেও রোগী ভর্তি তথা ইনডোর ও অন্যান্য আউটডোর পরিষেবা চালু করার ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ নেই।
Advertisement
দু’বছর হল কেন্দ্রীয় এজেন্সি পূর্ণাঙ্গ ভবন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে হস্তান্তর করেছে। তারপর রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় ভবনের দেওয়ালে জায়গায় জায়গায় শ্যাওলা ও ড্যাম্প ধরেছে। ভিতরের ফলস সিলিং অনেক জায়গায় খুলে পড়েছে। আর এইসব দেখে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, এভাবেই পড়ে থেকে থেকে নষ্ট হবে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার এই পরিকাঠামো।
পূর্ণাঙ্গরূপে এই ব্লক চালু না করার কারণ হিসেবে প্রথম দিকে বলা হয়েছে, ক্যাথল্যাব আসেনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই অজুহাত বদলেছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশ ও সাধারণ মানুষ এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু না করার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছে। এখানকার চিকিৎসকদের একটি অংশের প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য এই ষড়যন্ত্রের কারণ বলে ওয়াকিবহল মহলের ধারণা।
এই ব্লকে কার্ডিওলজি বিভাগে ২০টি, ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে ১৫, নেফ্রোতে ২২, প্লাস্টিক সার্জারিতে ২০, পেডিয়াট্রিককে ২২, আইসিসিইউ বিভাগে ১০টি বেড থাকবে। চার তলায় থাকবে ছ’টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার। থাকবে বার্ন ওয়ার্ড। একতলায় থাকবে ২১টি ওপিডি। পাশাপাশি সিটি স্ক্যান, এমআরআই, অত্যাধুনিক প্যাথলজিকাল ল্যাব, এক্স-রে সব উন্নত পরিষেবা এখান থেকে পাবে সর্বস্তরের মানুষ।
অভিযোগ, সুপার স্পেশারিটি ব্লক পুরোদমে চালু হলে এখানকার চিকিৎসকদের একাংশের প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমে প্র্যাকটিসে বড় ধাক্কা খাবে। তাই নানা অজুহাতে সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার ক্ষেত্রে টালবাহানা চলছে।
মেডিক্যাল হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, সুপার স্পেশালিটি ব্লকের জন্য বেশকিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম এসে গিয়েছে। কিন্তু এই নতুন ভবন হস্তান্তরের পর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কে নেবে, এনিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানোর পর আমাদের অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেই সমস্যা মিটতে না মিটতেই দেখা দেয় অন্য সমস্যা। ভিতরের বহু জায়গায় ফলস সিলিং খসে পড়ছে। ফলস সিলিং মেরামত না করে পূর্ণাঙ্গরূপে ব্লকটি চালু করা সম্ভব নয়। পূর্তদপ্তর কবে এই কাজ শেষ করবে সেই দিকেই আমাদের তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।
পূর্ণাঙ্গরূপে এই ব্লক চালু না করার কারণ হিসেবে প্রথম দিকে বলা হয়েছে, ক্যাথল্যাব আসেনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই অজুহাত বদলেছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশ ও সাধারণ মানুষ এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু না করার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছে। এখানকার চিকিৎসকদের একটি অংশের প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য এই ষড়যন্ত্রের কারণ বলে ওয়াকিবহল মহলের ধারণা।
এই ব্লকে কার্ডিওলজি বিভাগে ২০টি, ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে ১৫, নেফ্রোতে ২২, প্লাস্টিক সার্জারিতে ২০, পেডিয়াট্রিককে ২২, আইসিসিইউ বিভাগে ১০টি বেড থাকবে। চার তলায় থাকবে ছ’টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার। থাকবে বার্ন ওয়ার্ড। একতলায় থাকবে ২১টি ওপিডি। পাশাপাশি সিটি স্ক্যান, এমআরআই, অত্যাধুনিক প্যাথলজিকাল ল্যাব, এক্স-রে সব উন্নত পরিষেবা এখান থেকে পাবে সর্বস্তরের মানুষ।
অভিযোগ, সুপার স্পেশারিটি ব্লক পুরোদমে চালু হলে এখানকার চিকিৎসকদের একাংশের প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমে প্র্যাকটিসে বড় ধাক্কা খাবে। তাই নানা অজুহাতে সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার ক্ষেত্রে টালবাহানা চলছে।
মেডিক্যাল হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, সুপার স্পেশালিটি ব্লকের জন্য বেশকিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম এসে গিয়েছে। কিন্তু এই নতুন ভবন হস্তান্তরের পর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কে নেবে, এনিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানোর পর আমাদের অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেই সমস্যা মিটতে না মিটতেই দেখা দেয় অন্য সমস্যা। ভিতরের বহু জায়গায় ফলস সিলিং খসে পড়ছে। ফলস সিলিং মেরামত না করে পূর্ণাঙ্গরূপে ব্লকটি চালু করা সম্ভব নয়। পূর্তদপ্তর কবে এই কাজ শেষ করবে সেই দিকেই আমাদের তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।



