সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: তুলো ধুনাইয়ের নতুন মেশিনে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ গেল ছেলের। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটে ক্রান্তি ব্লকের ক্রান্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের মহুতলা গ্রামে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বাবার সামনেই। এ ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমেছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েয়েছে, মৃতের নাম আজাদ আলি (২৫)। বাড়ি বিহারের মজফ্ফপুর জেলার নখখুঁটি গ্রামে। আজাদ আলি ও তাঁর বাবা মহম্মদ ইসলাম মাল মহকুমার ওদলাবাড়ির আন্ধাঝোরা বস্তির একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। সেখানেই তাঁরা লেপ, তোশক তৈরি করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন পাড়ায় ঘুরে ঘুরে তাঁরা অর্ডার সংগ্রহ করেন। পরে ভাড়া বাড়িতে বসে ওসব তৈরি করেন। কখনও আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে লেপ, তোশক, বালিসও বানিয়ে দেন। শীতের শুরুতে তাঁদের কাজের চাপ বেড়ে গিয়েছে। কাজের চাপ এতটাই বেশি হয়ে যাচ্ছিল যে অনেক কাজ তাঁরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। তাই বাবা ও ছেলে পরিকল্পনা করেছিলেন তুলো ধুনাই করার জন্য আধুনিক একটি মেশিন কিনবেন।
সেইমতো জমানো টাকা দিয়ে বাপ-ব্যাটা মিলে গত রবিবার সেই মেশিন কেনেন। সোমবার সকালে ক্রান্তি ব্লকের মহুয়াতলার বাসিন্দা মহম্মদ বাবুর বাড়িতে লেপের কাজ করতে আসেন বাবা-ছেলে সহ আরও দু’জন। মেশিনে তুলো ধুনাইয়ের কাজ সবে শুরু করেছিলেন আজাদ। আচমকাই বিকট আওয়াজ হয় সেই মেশিনে। দেখা যায়, মেশিনের ফিতেতে আটকে পড়েছেন আজাদ। তুলোর পাশাপাশি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওঁর মাথার অর্ধেকটা অংশ। রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় করেন ওই বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিস। মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি মেশিনটিকেও পুলিস বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়।
মৃত আজাদ আলির বাবা মহম্মদ ইসলাম বলেন, আয় বাড়াতে আধুনিক তুলো ধুনাই মেশিন কিনেছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস সেই ধুনাই মেশিন ছেলের প্রাণ কেড়ে নিল। ক্রান্তি ফাঁড়ির ওসি বুদ্ধদেব ঘোষ বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। কীভাবে হল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
সেইমতো জমানো টাকা দিয়ে বাপ-ব্যাটা মিলে গত রবিবার সেই মেশিন কেনেন। সোমবার সকালে ক্রান্তি ব্লকের মহুয়াতলার বাসিন্দা মহম্মদ বাবুর বাড়িতে লেপের কাজ করতে আসেন বাবা-ছেলে সহ আরও দু’জন। মেশিনে তুলো ধুনাইয়ের কাজ সবে শুরু করেছিলেন আজাদ। আচমকাই বিকট আওয়াজ হয় সেই মেশিনে। দেখা যায়, মেশিনের ফিতেতে আটকে পড়েছেন আজাদ। তুলোর পাশাপাশি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওঁর মাথার অর্ধেকটা অংশ। রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় করেন ওই বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিস। মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি মেশিনটিকেও পুলিস বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়।
মৃত আজাদ আলির বাবা মহম্মদ ইসলাম বলেন, আয় বাড়াতে আধুনিক তুলো ধুনাই মেশিন কিনেছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস সেই ধুনাই মেশিন ছেলের প্রাণ কেড়ে নিল। ক্রান্তি ফাঁড়ির ওসি বুদ্ধদেব ঘোষ বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। কীভাবে হল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।



