রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার: পর্যটকরা না আসায় বনদপ্তরের রাজাভাতখাওয়া গেটে টিকিট কাউন্টারের পাশে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর স্টলগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে এখন কর্মহীন পাঁচটি গোষ্ঠীর মহিলারা। একইভাবে পর্যটকের অভাবে বনদপ্তরের রাজাভাতখাওয়া প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ঢোকার আগে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সাইকেল ট্যুরিজম প্রকল্পও মুখ থুবড়ে পড়েছে।
Advertisement
২০২৩ সালের ১৯ জানুয়ারি। বনদপ্তরের রাজাভাতখাওয়া চেকপোস্টে টিকিট কাউন্টারের পাশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঁচটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ওই স্টলগুলির ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছিলেন। পর্যটকরা কাউন্টারে টিকিট কাটার সময় স্টলগুলি থেকে হাতের তৈরি সামগ্রী কিনতেন। দেদার বিক্রি হতো। টিকিট কাউন্টার চত্বর পর্যটকের ভিড়ে গমগম করত। সরকারি নির্দেশে বিনা টিকিটে জঙ্গলে প্রবেশ করা যাচ্ছে। ফলে পর্যটকরাও রাজভাতখাওয়া গেটে দাঁড়াচ্ছেন না। তাঁরা গাড়ি নিয়ে সোজা গেট দিয়ে জঙ্গলে ঢুকে যাচ্ছেন। ফলে শুনসান হয়ে পড়েছে রাজাভাতখাওয়া চেকপোস্ট। সেই সঙ্গে পর্যটক না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লক্ষ্য, সংকল্প, সাইন, ভাওনা ও নিবেদিতা নামের এই পাঁচটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।
একইভাবে রাজাভাতখাওয়া প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ঢোকার আগে মুখ থুবড়ে পড়েছে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালিত সাইকেল ট্যুরিজম প্রকল্পও। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা রাজাভাতখাওয়ায় বেড়াতে এলে যাতে সামান্য টাকা দিয়ে সাইকেল ভাড়া নিয়ে আশপাশের চা বাগান, জঙ্গলের পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন তারজন্য এমন উদ্যোগ সরকারিভাবে নেওয়া হয়েছিল। সেই সাইকেলগুলিও এখন অবহেলায় পড়ে আছে। মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দোকানগুলিতে হরেকরকম আচার ও জঙ্গলের মধু পাওয়া যায়। সেসব পর্যটকরা কিনতেন। বাঁশ, কাঠের সামগ্রীও কিনতেন। ফাস্টফুড ভালোই বিক্রি হতো। কিন্তু এখন সব বিক্রি বন্ধ। একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য কবিতা সুব্বা বলেন, ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে দোকান দিয়েছি। ভালোই বিক্রি হচ্ছিল। এখন পর্যটকরা না আসায় বন্ধ। কর্মহীন হয়ে পড়েছি। গোষ্ঠীর আর এক সদস্য রমা দাস বলেন, এখন কীভাবে সংসার চলবে, কীভাবে ব্যাঙ্ক ঋণ শোধ হবে বুঝতে পারছি না। গোষ্ঠীর মহিলাদের বক্তব্য, রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমাদের বিকল্প দিশা দেখাবেন। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, এখন জঙ্গলে ঢুকতে টিকিট লাগছে না। এটা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ। তাই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কর্মহীন হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।
একইভাবে রাজাভাতখাওয়া প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ঢোকার আগে মুখ থুবড়ে পড়েছে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালিত সাইকেল ট্যুরিজম প্রকল্পও। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা রাজাভাতখাওয়ায় বেড়াতে এলে যাতে সামান্য টাকা দিয়ে সাইকেল ভাড়া নিয়ে আশপাশের চা বাগান, জঙ্গলের পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন তারজন্য এমন উদ্যোগ সরকারিভাবে নেওয়া হয়েছিল। সেই সাইকেলগুলিও এখন অবহেলায় পড়ে আছে। মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দোকানগুলিতে হরেকরকম আচার ও জঙ্গলের মধু পাওয়া যায়। সেসব পর্যটকরা কিনতেন। বাঁশ, কাঠের সামগ্রীও কিনতেন। ফাস্টফুড ভালোই বিক্রি হতো। কিন্তু এখন সব বিক্রি বন্ধ। একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য কবিতা সুব্বা বলেন, ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে দোকান দিয়েছি। ভালোই বিক্রি হচ্ছিল। এখন পর্যটকরা না আসায় বন্ধ। কর্মহীন হয়ে পড়েছি। গোষ্ঠীর আর এক সদস্য রমা দাস বলেন, এখন কীভাবে সংসার চলবে, কীভাবে ব্যাঙ্ক ঋণ শোধ হবে বুঝতে পারছি না। গোষ্ঠীর মহিলাদের বক্তব্য, রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমাদের বিকল্প দিশা দেখাবেন। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, এখন জঙ্গলে ঢুকতে টিকিট লাগছে না। এটা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ। তাই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কর্মহীন হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।



