চণ্ডীগড়: হরিয়ানার কংগ্রেস কর্মী হিমানী নারওয়ালকে খুনের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম শচীন। বাহাদুরগড়ের এই বাসিন্দার সঙ্গে হিমানীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গিয়েছে। ধৃতের কাছে মিলেছে নিহত তরুণীর মোবাইল ফোন। টাকাপয়সা নিয়ে বচসার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড বলে জানতে পেরেছে পুলিস। এদিকে, হিমানীর মা সবিতা দোষীর ফাঁসির সাজা দাবি করেছেন। এই খুনের ঘটনার কিনারার জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে হরিয়ানা পুলিস। রবিবার রাতেই দিল্লিতে হানা দিয়ে দু’জনকে আটক করে সিট। ধৃতদের রোহতকে নিয়ে আসা হয়। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর শচীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জেরায় শচীন জানিয়েছেন, ব্ল্যাকমেল করে তাঁর কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন হিমানী। পরে আরও টাকা দাবি করা হয়। হিমানীকে তাঁর বাড়িতেই খুন করা হয়। জানা গিয়েছে, রোহতকের বিজয়নগরের বাড়িতে একাই থাকতেন নিহত কংগ্রেস কর্মী। গত
Advertisement
২৭ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। রাতে দু’জনের মধ্যে টাকাপয়সা নিয়ে ঝামেলা বেঁধে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত ঝগড়া চলে। একটা সময় রাগের মাথায় প্রেমিকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন শচীন। ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে গলায় মোবাইলে চার্জ দেওয়ার তার পেঁচিয়ে হিমানীকে খুন করেন অভিযুক্ত। এরপর মৃতদেহ সুটকেসে ভরে নিজের বাড়িতে চলে যান শচীন। পরেরদিন রাত ১০টা নাগাদ ফের হিমানীর বাড়িতে আসেন তিনি। একটি অটো ভাড়া করে সুটকেসে ভরা দেহ নিয়ে রোহতক-দিল্লি হাইওয়ের সাম্পলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে ফেলে দিয়ে আসেন অভিযুক্ত। তদন্তকারীরা
জেনেছেন, অভিযুক্ত বিবাহিত। তার দু’টি সন্তান রয়েছে। খুনের পর হিমানীর সোনা-গয়না ও মোবাইল নিয়ে যাওয়ার কথা জেরায় স্বীকার করে নিয়েছেন শচীন।
জেনেছেন, অভিযুক্ত বিবাহিত। তার দু’টি সন্তান রয়েছে। খুনের পর হিমানীর সোনা-গয়না ও মোবাইল নিয়ে যাওয়ার কথা জেরায় স্বীকার করে নিয়েছেন শচীন।



