নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: প্রতিটি বুথ থেকে কিছুটা দূরে অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে বসে তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী। খাতা-কলম নিয়ে চলছে ভোটের হিসেব নিকেশ। বারংবার ফোনে খোঁজ নিচ্ছেন স্বয়ং প্রার্থী। আবার অবজার্ভাররাও আসছেন পরিদর্শন করতে। বুধবার শহর হোক বা গ্রামীণ এলাকা—এভাবেই মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোট করাল তৃণমূল। কিন্তু পথেঘাটে সেভাবে খুঁজেই পাওয়া গেল না বিজেপিকে। এদিন সকাল থেকে উপ নির্বাচনের বিজেপির প্রার্থী শুভজিৎ রায় এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে বেড়ালেও দলের নেতাকর্মীরা ছিলেন ছুটির মেজাজে। কিন্তু বিজেপি না থাকলেও, রাস্তায় ছিল সিপিআই নেতৃত্ব। প্রচারে ধারে ভারে অনেক পিছিয়ে থাকলেও, গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি শহর এলাকাতেও সিপিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মূলত গ্রামীণ ও শহর এলাকায় সংগঠন দুর্বল হওয়ায় প্রচারের মতো ভোটের দিনও বিজেপিকে সেভাবে খুঁজে পাওয়া গেল না বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
এদিন দুপুরে তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, ভোটের দিনও মানুষের ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে। প্রতিটি অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস থেকে ভোট পরিচালনা হয়েছে। শহর এলাকার সঙ্গে গ্রামীণ এলাকাতেও ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মানুষ উৎসবের ন্যায় ভোট দিয়েছেন। বিরোধীরা কিছু অভিযোগ করেছে ঠিকই, কিন্তু সবই ভিত্তিহীন। বিজেপি সহ বিরোধীদের জন সমর্থন আর নেই। আসলে এটা মানতেই হবে তাঁরা মানুষের জন্য কিছুই করেননি।
অপরদিকে, সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, মোটের উপর ভোট ভালোই হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী সেভাবে কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। আমাদের বেশিভাগ বুথেই এজেন্ট ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে গ্রামীণ এলাকায় ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলক কমছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটের লাইনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে মুড়ি চানাচুরের ব্যবস্থাও করা হয়। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভার শালবনী ব্লকের সাতপাটিতে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বাবলু ঘোষকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এছাড়াও বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বেশকিছু এলাকায় ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তোলেন। যদিও তা অস্বীকার করে তৃণমূল।
এদিন এক বিজেপি নেতা বলেন, গ্রামীণ এলাকায় সংগঠন একেবারে শেষ। ঝান্ডা ধরে লড়াই করার মতো কেউ নেই। ক্ষমতায় না এসেই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছে। বহু এলাকায় প্রার্থী গেলে তবেই প্রচার হয়েছে। বিজেপি নেতারা মনে করে ভোটে টাকা খরচ করলেই জেতা যায়।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, পুলিসকে কাজে লাগিয়ে ভোট করা হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকেই ভয় দেখানো হয়। এছাড়া বেশকিছু নেতাকে পুলিস তুলে নিয়ে গিয়েছে। সকাল থেকে ভোট ধীরে করার চেষ্টা হয়েছে। বাইরে থেকে লোক ঢুকিয়েছে তৃণমূল।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, ভোট কিন্তু সেভাবে হচ্ছে না। ভোটের পোলিং খুব কম হচ্ছে। মানুষ খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছে। এই উপ নির্বাচনে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে চেয়েছিল। কিন্তু রাতের অন্ধকারে নেতা কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। মানুষ চাইছে না আবার এখানে নারী নির্যাতন হোক। তৃণমূল ও বিজেপি দু’টি দল আলাদা। কিন্তু এদের নীতি ও আদর্শ এক।
অপরদিকে, সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, মোটের উপর ভোট ভালোই হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী সেভাবে কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। আমাদের বেশিভাগ বুথেই এজেন্ট ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে গ্রামীণ এলাকায় ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলক কমছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটের লাইনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে মুড়ি চানাচুরের ব্যবস্থাও করা হয়। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভার শালবনী ব্লকের সাতপাটিতে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বাবলু ঘোষকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এছাড়াও বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বেশকিছু এলাকায় ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তোলেন। যদিও তা অস্বীকার করে তৃণমূল।
এদিন এক বিজেপি নেতা বলেন, গ্রামীণ এলাকায় সংগঠন একেবারে শেষ। ঝান্ডা ধরে লড়াই করার মতো কেউ নেই। ক্ষমতায় না এসেই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছে। বহু এলাকায় প্রার্থী গেলে তবেই প্রচার হয়েছে। বিজেপি নেতারা মনে করে ভোটে টাকা খরচ করলেই জেতা যায়।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, পুলিসকে কাজে লাগিয়ে ভোট করা হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকেই ভয় দেখানো হয়। এছাড়া বেশকিছু নেতাকে পুলিস তুলে নিয়ে গিয়েছে। সকাল থেকে ভোট ধীরে করার চেষ্টা হয়েছে। বাইরে থেকে লোক ঢুকিয়েছে তৃণমূল।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, ভোট কিন্তু সেভাবে হচ্ছে না। ভোটের পোলিং খুব কম হচ্ছে। মানুষ খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছে। এই উপ নির্বাচনে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে চেয়েছিল। কিন্তু রাতের অন্ধকারে নেতা কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। মানুষ চাইছে না আবার এখানে নারী নির্যাতন হোক। তৃণমূল ও বিজেপি দু’টি দল আলাদা। কিন্তু এদের নীতি ও আদর্শ এক।



