নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: দু’কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় পদক্ষেপ নিল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। অর্থ দপ্তরের এক আধিকারিককে শোকজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যাঙ্ক আকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হলেও তিনি তা কেন জানতে পারলেন না তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলেছে। শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট হতে না পারলে তাঁকে সাসপেন্ড করা হবে। ফেরার থাকা এক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দেড় বছর পর বুধবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এগজিকিউটিভ কাউন্সিল বা ইসির বৈঠক হয়। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক বছর আগে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় দু’কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ হওয়ার পর পুলিস ওই ঘটনায় তদন্তে নামে। তারা জানতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা কয়েকটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় পুলিস চারজনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু চক্রের পান্ডারা অধরা রয়েছে। অর্থদপ্তরের এক কর্মীর পরিকল্পনাতেই টাকা গায়েব করা হয়। ওই কর্মী দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আলাদাভাবে তদন্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট জমা করে। কিন্তু ইসির বৈঠক না হওয়ায় সেই ফাইল কর্তৃপক্ষ খুলতে পারেনি। এদিন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথের উপস্থিতিতে ফাইল খোলা হয়। অভিযুক্তদের রেয়াত করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এক আধিকারিক বলেন, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কয়েকটি কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বৃহস্পতিবারও ইসির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে তা হচ্ছে না। একদিনের বৈঠকেই বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারমধ্যে অর্থ তছরুপের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়।



