সংবাদদাতা, সিউড়ি: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে রাজ্য সরকার উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার পর বীরভূম জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বাড়ি তৈরির কাজ। প্রাথমিকভাবে বীরভূমের প্রায় ৫৩ হাজার গ্রামীণ উপভোক্তাকে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছে রাজ্য। সেই টাকা পাওয়ার পর উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন কি না সেদিকে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে প্রশাসন। ব্লকস্তরের আধিকারিকদের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি পঞ্চায়েতস্তরের উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখছেন প্রশাসনিক কর্তারা। পাশাপাশি, ইমারতি সামগ্রী বিক্রেতারা দাম ও গুণমান ঠিক রাখছেন কি না তাও নজরদারি চালাচ্ছেন আধিকারিকরা।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলায় প্রাথমিকভাবে ৫২ হাজার ৫৮২জন উপভোক্তাকে বাড়ি তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই টাকা পেয়ে খুশি উপভোক্তারা। এখনও অবধি বীরভূমের মোট এক লক্ষ এক হাজার উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করেছে প্রশাসন। প্রথম ধাপে প্রায় ৩১২ কোটি টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই টাকা দেওয়ার পর উপভোক্তারা বাড়ি তৈরি শুরু করেছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ি তৈরির উপকরণ সঠিক দামে ও সঠিক গুণমানে বাজারে পাচ্ছেন কি না সেই দিকে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছিলেন প্রশাসনিক কর্তারা।
তবে, কিছু ক্ষেত্রে বেশকিছু উপভোক্তার বাড়ির টাকা এখনও হোল্ড করে রেখেছে প্রশাসন। অনেক উপভোক্তার বাড়ির জন্য টাকা বরাদ্দ হওয়ার পর প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে, তাদের পাকা বাড়ি রয়েছে। তাই ওই উপভোক্তার টাকা আটকে রেখেছে প্রশাসন। সেইসব উপভোক্তাদের টাকা দেওয়া হবে কি না সেই বিষয়টিও ক্ষতিয়ে দেখা হবে।
জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীণ দুঃস্থ গৃহহীনদের জন্য বাড়ি তৈরি করতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা দিয়েছে। সেই টাকায় দারুণ উৎসাহের সঙ্গে গ্রামবাসী বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। অনেকের অর্ধেকের বেশি কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে। এরজন্য ব্লক ও পঞ্চায়েতস্তরে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা উপভোক্তাদের সব রকমের প্রশাসনিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি।
তবে, কিছু ক্ষেত্রে বেশকিছু উপভোক্তার বাড়ির টাকা এখনও হোল্ড করে রেখেছে প্রশাসন। অনেক উপভোক্তার বাড়ির জন্য টাকা বরাদ্দ হওয়ার পর প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে, তাদের পাকা বাড়ি রয়েছে। তাই ওই উপভোক্তার টাকা আটকে রেখেছে প্রশাসন। সেইসব উপভোক্তাদের টাকা দেওয়া হবে কি না সেই বিষয়টিও ক্ষতিয়ে দেখা হবে।
জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীণ দুঃস্থ গৃহহীনদের জন্য বাড়ি তৈরি করতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা দিয়েছে। সেই টাকায় দারুণ উৎসাহের সঙ্গে গ্রামবাসী বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। অনেকের অর্ধেকের বেশি কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে। এরজন্য ব্লক ও পঞ্চায়েতস্তরে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা উপভোক্তাদের সব রকমের প্রশাসনিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি।



