Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

টাকা খরচে ব্যর্থ ১০০ পঞ্চায়েত, হাতে মাত্র একমাস থাকায় উদ্বেগ

টাকা খরচে ব্যর্থ ১০০ পঞ্চায়েত, হাতে মাত্র একমাস থাকায় উদ্বেগ
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: চলতি অর্থবর্ষ শেষ হতে আর এক মাসের কিছু বেশি সময় বাকি। তার আগে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ সংক্রান্ত পর্যালোচনা করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পঞ্চায়েত দপ্তরের। বিভিন্ন জেলা থেকে যে তথ্য তাদের কাছে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ১০০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এখনও খরচ করতে পারেনি ৭০ কোটির বেশি টাকা। সার্বিকভাবে অর্থ কমিশনের টাকা খরচের উপর এর প্রভাব পড়ছে। কেন এতগুলি পঞ্চায়েতে এত টাকা পড়ে রয়েছে, সেটাই বেশি ভাবাচ্ছে দপ্তরের কর্তাদের। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে সব টাকা খরচ হয়, তা নিশ্চিত করতে আগামী সপ্তাহেই এসব পঞ্চায়েতকে নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন আধিকারিকরা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, খরচের নিরিখে পিছিয়ে থাকা পঞ্চায়েত সবচেয়ে বেশি রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় (২১টি)। ঠাকুরপুকুর-মহেশতলা ব্লকের চট্টা, ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের পোলেরহাট ২, বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ, মগরাহাট ১ ব্লকের উস্তি সহ আরও অনেক পঞ্চায়েত রয়েছে এই তালিকায়। সবক’টি পঞ্চায়েতেই কোটি টাকা করে খরচ বাকি এখনও। এছাড়া মুর্শিদাবাদ, মালদহ জেলাতেও বহু পঞ্চায়েতের খরচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পঞ্চায়েত কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, এই তিন জেলা নিয়েই সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথা। খরচের গতি কেন এতটা কম, বুঝে ওঠা যাচ্ছে না। বৈঠকে পঞ্চায়েতগুলির থেকে এ বিষয়ে কৈফিয়ৎ তলব করবেন আধিকারিকরা। প্রশাসন সূত্রে খবর, বেশিরভাগ পঞ্চায়েত সাফাই দিচ্ছে, নির্মাণ সহায়ক না থাকার কারণে অনেক টাকা ছাড়া যায়নি। যেমন, মুর্শিদাবাদের সুতি ২ নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীপুর পঞ্চায়েতের প্রধান নূর ইমামের দাবি, ‘৬ মাস নির্মাণ সহায়ক পদে আমাদের পঞ্চায়েতে কেউ ছিলেন না। তাই বিল তৈরি হয়ে গেলেও কোনও ঠিকাদারকে টাকা দেওয়া যায়নি। অনেক টাকা পড়ে রয়েছে।’ চট্টা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সবির সাঁপুই বলেন, ‘গত আড়াই-তিন বছর ধরে পঞ্চায়েতে কর্মী সঙ্কট ছিল। তার জন্য কাজ ব্যাহত হয়েছে। এখন নতুন করে নির্মাণ সহায়ক পাওয়া গিয়েছে। অনেক কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। মার্চের মধ্যে অনেক টাকা খরচ হয়ে যাবে।’ মালদহের মানিকচক ব্লকের মানিকচক পঞ্চায়েতের প্রধান চাঁদ সুলতানার বক্তব্য, ‘যেমন কাজ হচ্ছে, সেই মতো বিল ছাড়া হচ্ছে। সময়ের মধ্যে  সব টাকা খরচ হয়ে যাবে।’
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ