সংবাদদাতা, তেহট্ট: দেড়-দু’বছরেই দ্বিগুণ হয়ে যাবে টাকা। দেওয়া হবে চড়া সুদও। একথা বলে বিভিন্ন মানুষের থেকে প্রায় দু’কোটি টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে এক জ্যোতিষী। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল পলাশীপাড়ায়। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সুন্দর ধর নামে ওই জ্যোতিষীর বিরুদ্ধে এক প্রতারিত সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিস ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাকে তেহট্ট মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, ১৫০-২০০ জনকে ওই ব্যক্তি প্রতারিত করে টাকা কামিয়েছে। সবমিলিয়ে টাকার অঙ্ক প্রায় দু’কোটি। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, পাঁচবছর আগে সুন্দর ‘জ্যোতিষ ব্যবসা’ শুরু করে। জ্যোতিষচর্চার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সে পরিচয় গড়ে তোলে। এরপর তাঁদের টাকা দ্বিগুণ করার পাশাপাশি চড়া সুদ দেওয়ার লোভ দেখায় সে। অনেকেই বিশ্বাস করে তার কাছে টাকা রাখতে শুরু করেন। টাকা নেওয়ার পর ছ’-সাতমাস তাঁদের সুদও দেয় ওউ জ্যোতিষী। অভিযোগ, এরপর আচমকাই সে সুদ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। বেশ কয়েকমাস পর থেকে লোকজন টাকা ফেরত চাইলে সে টাকা নেওয়ার কথাই অস্বীকার করে। এরপরই প্রতারিতরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দু’বছর আগে টাকা ফেরতের দাবিতে একবার সুন্দরের বাড়িতে চড়াও হয়েছিলেন প্রতারিতরা। সেসময় স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বিষয়টি তখনকার মতো মিটে যায়। তারপর দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও সে টাকা ফেরত দেয়নি বলে অভিযোগ।
মঙ্গলবার কৃষ্ণনগরের এক ব্যক্তি সুন্দরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নেমে সুন্দরকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জ্যোতিষী যথেষ্ট প্রতিপত্তিশালী। পলাশীপাড়া বাজারের পাশাপাশি করিমপুর, কৃষ্ণনগর সহ বিভিন্ন জায়গায় তার ‘চেম্বার’ আছে। অভিযোগ, প্রতারণার টাকাতেই গাড়ি, বাড়ি করেছে সে। বিভিন্ন নামে অ্যাকাউন্টে টাকা রেখেছে। তার গ্রেপ্তারিতে এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের সঙ্গে প্রতারণার খবর মিলেছে। প্রায় দু’কোটি টাকার প্রতারণার খোঁজ মিলেছে। তবে প্রতারিতের সংখ্যা ও মোট টাকার পরিমাণ বাড়তে পারে। আরও কেউ এই চক্রে জড়িত কি না, তা জানতে ওই জ্যোতিষীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার কৃষ্ণনগরের এক ব্যক্তি সুন্দরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নেমে সুন্দরকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জ্যোতিষী যথেষ্ট প্রতিপত্তিশালী। পলাশীপাড়া বাজারের পাশাপাশি করিমপুর, কৃষ্ণনগর সহ বিভিন্ন জায়গায় তার ‘চেম্বার’ আছে। অভিযোগ, প্রতারণার টাকাতেই গাড়ি, বাড়ি করেছে সে। বিভিন্ন নামে অ্যাকাউন্টে টাকা রেখেছে। তার গ্রেপ্তারিতে এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের সঙ্গে প্রতারণার খবর মিলেছে। প্রায় দু’কোটি টাকার প্রতারণার খোঁজ মিলেছে। তবে প্রতারিতের সংখ্যা ও মোট টাকার পরিমাণ বাড়তে পারে। আরও কেউ এই চক্রে জড়িত কি না, তা জানতে ওই জ্যোতিষীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।



