সংবাদদাতা, লালবাগ: এক বছরের মেয়াদ শেষে লগ্নি টাকার দ্বিগুণ ফেরত পাওয়া যাবে। গ্যারান্টি হিসেবে লগ্নিকারীদের জমির কাগজ দেওয়া হবে। এই টোপ দিয়ে সাবেক নবাবি তালুক মুর্শিদাবাদ শহরে বসে আর্থিক প্রতারণা চালানো হচ্ছিল। ইতিমধ্যে কয়েকজন সেই টোপ গিলেওছিলেন। পরে কয়েকজন প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। প্রতারিতদের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে হাজারদুয়ারি প্রাসাদ সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে পুলিস প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা দমদমের বাসিন্দা পল্লব চক্রবর্তী সহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার তাদের লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পল্লব সহ পাঁচজনকে তিনদিনের পুলিস হেফাজতের এবং বাকিদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
লালবাগের এসডিপিও আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে আর কারা রয়েছে এবং কত টাকা তোলা হয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পল্লব ছাড়া বাকিরা সকলেই মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পল্লব সহ বেশ কয়েকজন কিছুদিন ধরে মুর্শিদাবাদ শহরের বিভিন্ন হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়ে প্রতারণার কারবার চালাচ্ছিল। মেরিনার্স নামক সংস্থায় টাকা লগ্নি করলে এক বছর পর দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে, এমনটাই স্থানীয় এজেন্ট মারফত জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গোপনে প্রচার চালানো হচ্ছিল। লগ্নিকারীদের বিশ্বাস অর্জনে তাদের নামে জমির কাগজ করে দেওয়া হবে বলে টোপ দেওয়া হয়। আর সেই ফাঁদে পা দিয়ে লালবাগের চার বাসিন্দা এক সপ্তাহ আগে মোট ১০ লক্ষ টাকা লগ্নি করেন। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর থেকে তারা বেপাত্তা হয়ে যায়। বুধবার অভিযুক্তরা হাজারদুয়ারি প্রাসাদ সংলগ্ন হোটেলে উঠেছে খবর পাওয়ার পর রাতে প্রতারিতরা সেখানে যান।
লালবাগ টাঙা ইউনিয়নের সম্পাদক মনু শেখ বলেন, পল্লব এর আগে একটি চিটফান্ড খুলেছিল। পরিচিত ও আত্মীয় পরিজনদের থেকে কয়েক লক্ষ টাকা তুলে ওই সংস্থায় লগ্নি করেছিলাম। মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত না দিয়ে ওই চিটফান্ড বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেই টাকা আমাকে শোধ করতে হয়। দিন কয়েক আগে পরিচিত কয়েকজনের কাছে এক বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরতের বিষয়টি জানতে পারি। তারপর খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আসলে এটি একটি প্রতারণা চক্র। প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা পল্লব। তারপরেই বিষয়টি আমি তাদের জানাই।
এক সপ্তাহ আগে চার লক্ষ টাকা লগ্নি করেছেন বলে দাবি করেছেন লালবাগের যুবক রবিউল শেখ। রবিউল বলেন, এক বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলা জানানো হয়েছিল। চার লক্ষ টাকার গ্যারান্টি হিসেবে নবগ্রাম থানার পলশন্ডা সংলগ্ন জাতীয় সড়কের পাশে একটি জমি দেখানো হয়। ওই জমির কাগজ দু’-একদিনের মধ্যে আমার নামে করে দেওয়া হবে বলা হয়।
লালবাগের অপর যুবক সোনু শেখ বলেন, দু’লক্ষ টাকা লগ্নি করেছিলাম। কিন্তু, মনুদার কাছ থেকে পল্লবের বিষয়ে জানার পরেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। বুধবার লালবাগের একটি হোটেলে এসেছে জানার পরেই কয়েকজন মিলে সেখানে যাই। টাকা ফেরত চাইতেই পল্লব ও তার শাগরেদরা আমাদের উপর চড়াও হয়। তারপরেই মুর্শিদাবাদ থানায় খবর দেওয়া হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পল্লব সহ বেশ কয়েকজন কিছুদিন ধরে মুর্শিদাবাদ শহরের বিভিন্ন হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়ে প্রতারণার কারবার চালাচ্ছিল। মেরিনার্স নামক সংস্থায় টাকা লগ্নি করলে এক বছর পর দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে, এমনটাই স্থানীয় এজেন্ট মারফত জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গোপনে প্রচার চালানো হচ্ছিল। লগ্নিকারীদের বিশ্বাস অর্জনে তাদের নামে জমির কাগজ করে দেওয়া হবে বলে টোপ দেওয়া হয়। আর সেই ফাঁদে পা দিয়ে লালবাগের চার বাসিন্দা এক সপ্তাহ আগে মোট ১০ লক্ষ টাকা লগ্নি করেন। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর থেকে তারা বেপাত্তা হয়ে যায়। বুধবার অভিযুক্তরা হাজারদুয়ারি প্রাসাদ সংলগ্ন হোটেলে উঠেছে খবর পাওয়ার পর রাতে প্রতারিতরা সেখানে যান।
লালবাগ টাঙা ইউনিয়নের সম্পাদক মনু শেখ বলেন, পল্লব এর আগে একটি চিটফান্ড খুলেছিল। পরিচিত ও আত্মীয় পরিজনদের থেকে কয়েক লক্ষ টাকা তুলে ওই সংস্থায় লগ্নি করেছিলাম। মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত না দিয়ে ওই চিটফান্ড বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেই টাকা আমাকে শোধ করতে হয়। দিন কয়েক আগে পরিচিত কয়েকজনের কাছে এক বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরতের বিষয়টি জানতে পারি। তারপর খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আসলে এটি একটি প্রতারণা চক্র। প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা পল্লব। তারপরেই বিষয়টি আমি তাদের জানাই।
এক সপ্তাহ আগে চার লক্ষ টাকা লগ্নি করেছেন বলে দাবি করেছেন লালবাগের যুবক রবিউল শেখ। রবিউল বলেন, এক বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলা জানানো হয়েছিল। চার লক্ষ টাকার গ্যারান্টি হিসেবে নবগ্রাম থানার পলশন্ডা সংলগ্ন জাতীয় সড়কের পাশে একটি জমি দেখানো হয়। ওই জমির কাগজ দু’-একদিনের মধ্যে আমার নামে করে দেওয়া হবে বলা হয়।
লালবাগের অপর যুবক সোনু শেখ বলেন, দু’লক্ষ টাকা লগ্নি করেছিলাম। কিন্তু, মনুদার কাছ থেকে পল্লবের বিষয়ে জানার পরেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। বুধবার লালবাগের একটি হোটেলে এসেছে জানার পরেই কয়েকজন মিলে সেখানে যাই। টাকা ফেরত চাইতেই পল্লব ও তার শাগরেদরা আমাদের উপর চড়াও হয়। তারপরেই মুর্শিদাবাদ থানায় খবর দেওয়া হয়।



