সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: টাকা বরাদ্দ হলেও উন্নয়নের কাজ শুরু না হওয়ায় কাউন্সিলারদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে খড়্গপুর পুরসভায়। জানা গিয়েছে, গত জানুয়ারি মাসে উন্নয়নের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টায়েড ফান্ড থেকে ২ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। সেই টাকা ৩৫টি ওয়ার্ডকে ভাগ করে দেওয়া হয়। ২২টি ওয়ার্ড পায় ৭ লক্ষ টাকা করে। চারটি ওয়ার্ডের জন্য বরাদ্দ হয় ৬ লক্ষ টাকা করে। আর আইআইটি ও রেল এলাকার ৯টি ওয়ার্ডকে বরাদ্দ করা হয় ৫ লক্ষ টাকা করে। বলা হয়, এই টাকা কেবলমাত্র নিকাশির কাজে ব্যয় করা যাবে। মুলত এলাকায় নর্দমা তৈরির জন্য কাজ করতে বলা হয়। সেইমতো কাউন্সিলারদের প্রস্তাবও জমা দিতে বলা হয়।
Advertisement
কাউন্সিলাররা বলেন, প্রস্তাব জমা দেওয়া হলেও এখনও কাজের টেন্ডারই করা হয় নি। ফলে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। তৃণমূল কাউন্সিলার তপন প্রধান বলেন, প্রস্তাব জমা দিয়ে দিয়েছি। টেন্ডার না হওয়ায় কাজ হচ্ছে না। তিনি বলেন, পুজোর আগে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল সেই কাজের সম্প্রতি টেন্ডার হয়েছে। এবার কাজ শুরু হয়ে যাবে। বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহারা বলেন, নর্দমা তৈরির কাজ শুরু হবে কী করে, টেন্ডারই হয়নি। তিনি বলেন, পুজোর আগে যে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল সেই কাজেরও টেন্ডার হয় নি। কাজ হবে কি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল কাউন্সিলার বলেন, পুরসভার দীর্ঘসূত্রতার জন্য সব কাজেই দেরি হচ্ছে। ফলে টাকা থাকলেও উন্নয়নের কাজ স্তব্ধ হয়ে আছে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, নিয়মমতো পুর কারিগরি দপ্তর(এমইডি) থেকে কাজগুলি ভেটিং করাতে হয়। আমরা নর্দমা তৈরির কাজ গুলি ভেটিং করার জন্য এমইডিকে পাঠিয়েছি। তারা এখনও ভেটিং করে পাঠায়নি। ভেটিং হয়ে এলে টেন্ডার করা হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে কাজের বরাত দিয়ে দেওয়া হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, পুজোর আগে ওয়ার্ডগুলিকে ৫৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২২টি ওয়ার্ড ২ লক্ষ করে, চারটি ওয়ার্ড দেড় লক্ষ করে ও ৯টি ওয়ার্ড এক লক্ষ টাকা করে পেয়েছিল। কিছু ওয়ার্ডে কাজ বাকি আছে। তাদের দ্রুত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যাবে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, নিয়মমতো পুর কারিগরি দপ্তর(এমইডি) থেকে কাজগুলি ভেটিং করাতে হয়। আমরা নর্দমা তৈরির কাজ গুলি ভেটিং করার জন্য এমইডিকে পাঠিয়েছি। তারা এখনও ভেটিং করে পাঠায়নি। ভেটিং হয়ে এলে টেন্ডার করা হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে কাজের বরাত দিয়ে দেওয়া হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, পুজোর আগে ওয়ার্ডগুলিকে ৫৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২২টি ওয়ার্ড ২ লক্ষ করে, চারটি ওয়ার্ড দেড় লক্ষ করে ও ৯টি ওয়ার্ড এক লক্ষ টাকা করে পেয়েছিল। কিছু ওয়ার্ডে কাজ বাকি আছে। তাদের দ্রুত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যাবে।



