Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা, দাবি ভোপাল পুলিশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের আরজি খারিজ আদালতের

খুন নয়। প্রাক্তন মিস পুনে ত্বিশা শর্মা আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট উল্লেখ করে ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার এমনটাই জানিয়েছেন। এদিকে,  ভোপালের স্থানীয় আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ত্বিশার দেহ সংরক্ষণ করতে হবে। তবে পরিবারের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা, দাবি ভোপাল পুলিশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের আরজি খারিজ আদালতের
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভোপাল: খুন নয়। প্রাক্তন মিস পুনে ত্বিশা শর্মা আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট উল্লেখ করে ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার এমনটাই জানিয়েছেন। এদিকে,  ভোপালের স্থানীয় আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ত্বিশার দেহ সংরক্ষণ করতে হবে। তবে পরিবারের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। 

Advertisement

ত্বিশার ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যান্টি মর্টাম হ্যাঙ্গিং বাই লিগেচার। অর্থাৎ মৃত্যুর আগে গলায় ফাঁস দেওয়া হয়েছে। ফাঁসের জন্য জিমনাস্টিক রিং-এর দড়ি ব্যবহার করা হয়েছে বলেই উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। পাশাপাশি ত্বিশার গলায় দুটি দাগের উল্লেখও রয়েছে। প্রতিটি দাগ প্রায় ২ সেমি চওড়া। ত্বিশার পরিবারের দাবি, লিগেচার মেটারিয়াল অর্থাৎ ফাঁসের জন্য ব্যবহৃত দড়ি সময়মতো হাসপাতালে পাঠানো হয়নি। রিপোর্টে একাধিক অসংগতি রয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের প্রয়োজন। তবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অনুদিতা গুপ্তা তা খারিজ করেছেন। পরিবারের আনা অভিযোগ সম্পর্কে কমিশনার সঞ্জয় জানিয়েছেন, পুলিশ তৎপরতার সঙ্গেই তদন্ত করছে। পাশাপাশি সমর্থ সিং তথা ত্বিশার স্বামী সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছে, ‘অভিযুক্ত এখনও পলাতক। শিগগিরই ধরা পড়বে।’ 
অন্যদিকে আদালতে ত্বিশার মৃত্যু মামলার শুনানিতে একাধিক অসংগতি সামনে আনে তাঁর পরিবারের নিযুক্ত আইনজীবী। তাঁর যুক্তি, ফাঁসের জন্য ব্যবহৃত বলে দাবি করা দড়ি বা বেল্টটি সময়মতো জমা দিলে অনেক সন্দেহই দূর হতে পারত। আরও একটি গুরুতর অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়—পোস্টমর্টেমে নথিভুক্ত উচ্চতা ও পুলিশ রিপোর্টে উল্লিখিত উচ্চতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আদালতে আরও প্রশ্ন ওঠে, ত্বিশার মাসিশাশুড়ি যিনি ভোপালের এক হাসপাতালে কর্মরত, কীভাবে পোস্টমর্টেম চলাকালীন ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন? আইনজীবী বলেন, ঘটনার পর ত্বিশাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও স্থানীয় থানাকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়নি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ