ঘাম বেশি হলে: বেশি ঘাম হলেই ক্লান্ত লাগে। ইলেক্ট্রোলাইটসের মাত্রায় হেরফের হলে পেশিতেও টান ধরতে পারে। ক্রনিক ডিজিজের রোগীদের ক্ষেত্রেও নানারকমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই নিজেকে চাঙ্গা রাখতে জরুরি সঠিক সময় জলপান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রয়োজনে ওআরএস পান।
ঘাম বেশি হলে: বেশি ঘাম হলেই ক্লান্ত লাগে। ইলেক্ট্রোলাইটসের মাত্রায় হেরফের হলে পেশিতেও টান ধরতে পারে। ক্রনিক ডিজিজের রোগীদের ক্ষেত্রেও নানারকমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই নিজেকে চাঙ্গা রাখতে জরুরি সঠিক সময় জলপান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রয়োজনে ওআরএস পান।
খুদে ও বয়স্কদের জন্য: খুদে ও বয়স্কদের পুজোর ভিড় থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখাই ভালো। বয়স্কদের প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখতে হবে। খাওয়া-দাওয়ার উপরও নজর দিতে হবে। অনেকসময় ঠাকুর দেখে পায়ে ব্যথা, হাঁটু-কোমরে ব্যথা হয়। এক্ষেত্রে সঠিক জুতো ও মোজা, কাস্টম ইনসোলসের ব্যবহার করা যেতে পারে।
খাওয়াদাওয়া: তেলমশলা, স্ট্রিট ফুড থেকে দূরত্ব বজায় রেখে বাড়িতে পঞ্চ ব্যঞ্জন বানিয়ে খান। প্যান্ডেল হপিংয়ে বেরিয়ে ব্যাগে বাদাম, চকলেট, বিস্কুট সহ নানা শুকনো খাবার রাখা যেতে পারে। রাস্তার খাবার, জল, ফলের রস, রঙিন শরবত, আইসক্রিম একদমই নয়। রাতে ভারী খাবার খেয়ে ঠাকুর দেখতে না বেরনোই ভালো।
মাঝেমাঝে বিশ্রাম: রাত জেগে ঠাকুর দেখার ফাঁকে মাঝেমধ্যে নিন বিশ্রাম।
মদ্যপান-ধূমপান: ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে পারলেই ভালো। মদ্যপান করলে সাময়িক উত্তেজনা, ঘাম হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ভিড়ে রক্তচাপের সমস্যাও হতে পারে।
শৌচকর্মে সতর্কতা: পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের আগে সবসময় জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করুন।
ব্যাগে রাখুন: ব্যাগে রাখুন ব্যান্ড-এইড, হজমের ওষুধ, জ্বর, মাথাব্যথার ট্যাবলেট, ওয়েট ওয়াইপস, জলের বোতল, হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার, ওআরএস, ছাতা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী।
(সূত্র: চিকিৎসকমহল)
লিখেছেন শোভন চন্দ