Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সেনাবাহিনীর বিমানে এল বাঘিনি, আগামী কাল ছাড়া হবে বক্সার জঙ্গলে

প্রতীক্ষার অবসান। সেনাবাহিনীর বিশেষ কার্গো বিমানে বুধবার সকালে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আনা হল বিহারের বাল্মিকী ফরেস্টে ধরা পড়া বাঘিনিকে।

সেনাবাহিনীর বিমানে এল বাঘিনি, আগামী কাল ছাড়া হবে বক্সার জঙ্গলে
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রতীক্ষার অবসান। সেনাবাহিনীর বিশেষ কার্গো বিমানে বুধবার সকালে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আনা হল বিহারের বাল্মিকী ফরেস্টে ধরা পড়া বাঘিনিকে। কাল, শুক্রবার ২ অক্টোবর গান্ধীজয়ন্তীতে সকাল ৯টা নাগাদ বক্সার গভীর জঙ্গলে ছাড়া হবে এই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে। কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বক্সার জঙ্গলে বাঘ ছাড়বেন। বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ বলেন, ২ অক্টোবর রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। আমরা রোমাঞ্চিত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ স্ত্রী রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারটিকে জঙ্গলে ছাড়বেন। এদিকে, শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাঘকে জঙ্গলে ছাড়ার লাইভ দেখানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিনে। 

Advertisement

বুধবার ভোর ৪টে ৪৫ মিনিট নাগাদ বাঘিনিকে নিয়ে সেনাবাহিনীর কার্গো বিমানটি নামে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। সেখানে প্রাণীটিকে এক ঘণ্টা বিশ্রাম দেওয়া হয়। পরে গ্রিন করিডর করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাম্বুলেন্সে চাপিয়ে সড়কপথে ৩৭ কিমি দূরে বক্সার ২৫ মাইল জঙ্গলে নিয়ে আসা হয়। সকাল ৮টা নাগাদ ওই জঙ্গলের ২.২ হেক্টর ঘেরাটোপে বাঘিনিকে রাখা হয়। নির্দিষ্ট ওই এনক্লোজারের মধ্যে বাঘিনির শিকারের জন্য আগে থেকেই সাতটি চিতল হরিণ ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। জলপানের জন্য ঘেরাটোপের মধ্যেই সিমেন্টের ঢালযুক্ত জলাশয়ও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ওই ঘেরাটোপেই থাকবে বাঘিনি। তারপরেই সেটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হবে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সঙ্গী হিসাবে খুব দ্রুত একটি বাঘও আনা হবে বক্সার জঙ্গলে। পরে আনুপাতিক হার বজায় রাখতে আরও একটি বাঘিনি নিয়ে আসা হবে। এদিকে, শীতের মরশুম শুরু হচ্ছে। বনদপ্তরের আশা, শীতের মরশুমে অসম বা ভুটানের ফিপসু থেকে যদি কোনো পুরুষ বাঘ আসে তাহলে তো সোনায় সোহাগা। এদিকে, বক্সায় আনার পর বন্যপ্রাণী চিকিৎসকরা আরও একপ্রস্ত বাঘিনির স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন। ছবি: বনদপ্তরের সৌজন্যে

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ