বেঙ্গালুরু: বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের এমএম হিলস অভয়ারণ্যে একইসঙ্গে বাঘিনী ও চার শাবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে রাজ্যজুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। তড়িঘড়ি উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী ঈশ্বর খানদ্রে। শনিবার সেই রহস্যের উদঘাটন করল বনবিভাগ ও পুলিস। জানা গিয়েছে, মাদুরাজু নামে এক ব্যক্তির গোরুকে খেয়েছিল বাঘিনী। আর তার প্রতিশোধ নিতেই বাঘিনী ও তার চার শাবককে বিষ দিনে খুন করেন তিনি ও তাঁর দুই সঙ্গী। শনিবার গরুর মালিক সহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস জানতে পেরেছে, দিন কয়েক আগেই মাদুরাজু নামে ওই ব্যক্তির গোরুকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল বাঘিনী। আর সেই থেকেই রাগে ফুঁসছিলেন মাদুরাজু। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জঙ্গলের মধ্যে গরুটির আধখাওয়া দেহ পাওয়া যায়। তখনই বাঘিনীকে শেষ করার ফন্দি আঁটেন তিনি। কোনাপ্পা ও নাগারাজু নামে দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ওই আধখাওয়া গোরুর গায়ে বিষ ছড়িয়ে দেন তিনি। পরের দিকে ফের বাঘিনী তার বাচ্চাদের নিয়ে গরুটি খেতে আসে। আর বিষক্রিয়ায় মা ও চার শাবকেরই মৃত্যু ঘটে। পাঁচটি বাঘের একসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে বনবিভাগ। জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি শুরু হয়। সেইসূত্রেই গোরুটির দেহাংশ খুঁজে পায় তারা। আর তা পরীক্ষা করতেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।