Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দ্বিতীয় দফায় কড়া নিরাপত্তা, ভোট দিতে না পারায় ক্ষুব্ধ বহু ভোটকর্মী

দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে মেতে উঠেছে হাওড়া জেলা প্রশাসন। জেলায় মোট ৪,৫১৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে আজ। মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩৬ লক্ষেরও বেশি।

দ্বিতীয় দফায় কড়া নিরাপত্তা, ভোট দিতে না পারায় ক্ষুব্ধ বহু ভোটকর্মী
  • ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে মেতে উঠেছে হাওড়া জেলা প্রশাসন। জেলায় মোট ৪,৫১৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে আজ। মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩৬ লক্ষেরও বেশি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলার ১২টি ডিসিআরসি (ডিস্ট্রিবিউশন ও রিসিভিং সেন্টার) থেকে ভোটের যাবতীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করে নিজ নিজ বুথের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন পোলিং কর্মীরা। অন্যদিকে ভোট পরিচালনায় ব্যস্ত থাকা পোলিং আধিকারিকরা এখনও ভোট দিতে না পারায় এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Advertisement

এদিন চার্চ রোডে মধ্য হাওড়ার ডিসিআরসি সেন্টার পরিদর্শনে এসে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনি আধিকারিক পি দীপা প্রিয়া জানান, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাওড়া সদর এলাকায় ১১১ কোম্পানি এবং গ্রামীণ হাওড়ায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি থাকবে বিপুল সংখ্যক রাজ্য পুলিশও। প্রতিটি বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বেশ কিছু অতি স্পর্শকাতর বুথে তিনটি ক্যামেরা লাগিয়ে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা নির্বাচন দপ্তরের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন থেকেও এই নজরদারি চালানো হবে। নিরাপত্তা জোরদার করতে রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, নাকা চেকিং, কুইক রেসপন্স টিম ও সাঁজোয়া গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে। গোটা জেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে বলেও জানান জেলাশাসক। তবে এই প্রস্তুতির মাঝেই সামনে এসেছে এক ভিন্ন চিত্র। ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পোলিং আধিকারিকদের একাংশের অভিযোগ, তাঁরা এখনও নিজেদের ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি। শরৎসদনে প্রশিক্ষণ নেওয়া সত্ত্বেও অনেকেই পোস্টাল ব্যালট পাননি বলে দাবি করেছেন। এমনকি, নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়েও তাঁদের নাম তালিকায় না থাকার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্য, হাজার হাজার ভোটারের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করলেও নিজেরাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছি না। এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে তাঁদের ভোটদানের ব্যবস্থা করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ