


নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: আর বাঘ, সিংহ দেখতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় যেতে হবে না। হাতের নাগালে বর্ধমানের রমনাবাগানে মিনি জু-তেই দেখা মিলবে পশুরাজ সিংহ থেকে বাঘমামার। এমনকী, জাপান থেকে জিরাফ আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বনদপ্তরের এই উদ্যোগে আকর্ষণ বাড়ছে বর্ধমানের পর্যটনে। বুধবার দুর্গাপুর বিশ্ব নেকড়ে দিবস পালনের অনুষ্ঠানে এসে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বর্ধমানের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার সঞ্চিতা শর্মা।বর্ধমান ফরেস্ট ডিভিশনে কীভাবে বন্যপ্রাণ রক্ষা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তা এদিনের অনুষ্ঠানে জানান তিনি। বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে বন্য হাতি চলাচলের ক্ষেত্রে মানুষকে কীভাবে সচেতন করা হচ্ছে, সেই বিষয়ে বলেন। আউশগ্রাম এলাকায় হরিণ-ময়ূর রক্ষা নিয়েও বনদপ্তরের উদ্যোগের কথা জানান। নেকড়ের প্রজাতির হদিশ পেতে দুর্গাপুর রেঞ্জ অফিসের পাশাপাশি অন্যত্রও খোঁজ চালানো হবে বলে জানিয়েছেন বনদপ্তরের এই আধিকারিক। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কোনও বন্যপ্রাণীকে চিড়িয়াখানায় আনতে হলে প্রাথমিকভাবে ওয়েস্ট বেঙ্গল জু অথরিটির কাছে অনুমতি নিতে হয়। সেই অনুমতি আমরা ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছি। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, একজোড়া করে বাঘ ও সিংহ আনা হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল জু অথরিটি জাপানের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। সেই অনুযায়ী অন্য প্রাণীর বদলে আমরা জিরাফ পাব। তাদের বর্ধমানে রাখা হবে। তিনি আরও বলেন, বাঘ ও সিংহ রাখার চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে সেন্ট্রাল জু অথরিটির কাছে আবেদন করেছি। আশা করছি, দ্রুত সেই অনুমোদন পেয়ে যাব।