Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল, সমুদ্রে দেদার মাছ ধরছেন মৎস্যজীবীরা

প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গভীর সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে দেদার মাছ ধরছে মৎস্যজীবীদের একাংশ। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১১ দিন সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন

প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল, সমুদ্রে দেদার মাছ ধরছেন মৎস্যজীবীরা
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গভীর সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে দেদার মাছ ধরছে মৎস্যজীবীদের একাংশ। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১১ দিন সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার লেখা রয়েছে, ২-১২ অক্টোবর কোনও মৎস্যজীবী সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারবেন না। যদি কেউ যান, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই নির্দেশ অবশ্য কাগজে কলমেই রয়ে গিয়েছে। ঘাটগুলিতে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। ঘাটে গিয়ে দেখা গেল, গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফিরছে একের পর এক ট্রলার। কিছু ট্রলার আবার পর্যাপ্ত বরফ ও তেল ভরে মাছ ধরার জন্য পাড়ি দিচ্ছে গভীর সমুদ্রে। সব দেখেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। স্বভাবতই এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মৎস্যজীবীদের বক্তব্য, সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি তাঁরা জানেন না। জানা গিয়েছে, এটা সমুদ্রে ইলিশের ডিম পাড়ার সময়। সেকারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল। যাতে ডিম পাড়তে তাদের কোনও সমস্যা না হয়। এর জন্য অক্টোবর মাসের পূর্ণিমার পাঁচদিন আগে ও পরের পাঁচদিনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মৎস্যজীবী নিরঞ্জন দাস বলেন, ‘এই সময় বাংলাদেশ প্রশাসন টানা ২২ দিন সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু এখানে এমন কোনও নির্দেশ রয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি হওয়া নির্দেশিকাও আমরা হাতে পাইনি। তাই সব মৎস্যজীবীরাই সমুদ্রে যাচ্ছেন মাছ ধরতে।’ কাকদ্বীপের দু’টি মৎস্যজীবী সংগঠনের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র ও বিজন মাইতি বলেন, ‘মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এই সময়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ থাকে। কিন্তু প্রচারের অভাবে ও অসচেতনতার কারণেই কেউ এই নির্দেশ মানে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারির অভাব রয়েছে। যে কারণে সমস্যা তৈরি হয়।’ এ ব্যাপারে জানার জন্য ডায়মন্ডহারবারের সহ মৎস্য অধিকর্তাকে (সামুদ্রিক) ফোন করা হলেও, তিনি ফোন ধরেননি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ