Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তেহট্টের জগদ্ধাত্রী পুজো টেক্কা দিতে পারে কৃষ্ণনগর, চন্দননগরকে

তেহট্টের জগদ্ধাত্রী পুজো টেক্কা দিতে পারে কৃষ্ণনগর, চন্দননগরকে
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা তেহট্ট: তেহট্টের সবচেয়ে বড় উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। এই পুজো থিম ও আলোকসজ্জায় টেক্কা দিতে পারে কৃষ্ণনগর বা চন্দননগরকে। এই ছোট্ট শহরে জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে উন্মাদনা থাকে। প্রতি বছরের মতো এ বছরও এই পুজো ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা রয়েছে চরম। তবে পুজো শান্তিতে মেটানোর জন্য প্রস্তুত প্রশাসনও। মণ্ডপসজ্জার পাশাপাশি লাইট, সাউন্ড এমনকী জীবন্ত মডেল সহ পারিপার্শ্বিক বিষয়ে জোর দিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। জোর কদমে চলছে মণ্ডপ তৈরির কাজ। সেখানে দেখা যাবে সাবেকি পুজো থেকে বিভিন্ন থিম।  তেহট্ট এলাকায় প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজো করে জিতপুর মোড়ের সেমনেন্স বয়েজ। এরা ১৯৯৯ সালে প্রথম পুজো শুরু করে। এঁদের থাকে সাবেকি প্রতিমা ও আলোকসজ্জা। চারদিনের এই পুজো তেহট্টের বুড়িমা বলে বিখ্যাত।  আজ, বৃহস্পতিবার এই পুজোর উদ্বোধন। পুজোর অন্যতম আকর্ষণ বিসর্জনের শোভাযাত্রা। তা দেখার জন্য মানুষ সারারাত বসে থাকেন রাস্তার পাশে। তেহট্ট মণ্ডলপাড়ায় এবারের থিম পাগলা গারদ।  রাতে থাকবে লেজার শো। ইতিমধ্যে এই পুজোকে ঘিরেই সামাজিক মাধ্যমে মানুষের উন্মাদনা চোখে পড়ছে। পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করলেই দেখা যাবে পাগলদের কাণ্ডকারখানা।   বর্গীডাঙা যুব সঙ্ঘের এবারের মণ্ডপ সাজছে ঘাসের আদলে। এঁদের থিম গঙ্গাদূষণ। সেখানে দেখা যাবে বেনারসের গঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন। এই পুজোর অন্যতম আকর্ষণ জীবন্ত মডেল। সেই সঙ্গে থাকছে আলোকসজ্জা ও কৃষ্ণনগরের প্রতিমা। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই ক্লাবের সদস্য সঞ্জয় মোহান্ত বলেন, এবার আমাদের পুজো ২৩  বছরে পড়ল। এবার আমাদের বাজেট সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা। আমরা সবাই ক্লাবের থিম পাখিদের জীবনকাহিনি। সেই সঙ্গে মৌমাছি কীভাবে মৌচাক ও মধু বানায় সেই দৃশ্য দেখা যাবে। এঁদের পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করতেই মনে হবে যেন পাখির দেশে এসে পৌঁছেছেন দর্শক। এঁদেরও বাজেট পাঁচ লক্ষ টাকা। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ