সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট ১ ও ২, দু’টি ব্লকেই রমরমিয়ে চলছে ‘কাটা তেল’-এর অবৈধ ব্যবসা। একাধিকবার ঘটেছে দুর্ঘটনাও। কিন্তু তারপরেও বিক্রেতাদের যেমন হুঁশ ফেরেনি, তেমনি উদাসীন প্রশাসনও। কাটা তেল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ পুলিস প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে কেউ মনে করতে পারছেন না। যদিও জেলা পুলিসের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলেই অভিযান চালানো হয়। ভবিষ্যতেও অভিযান চালানো হবে।
Advertisement
কিছুদিন আগেই চাপড়া থানা এলাকায় একটি দোকানে দাহ্য বস্তু রাখার কারণে আগুন ধরে যায়। যদিও তাতে খুব একটা বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শুধু চাপড়াই নয়, করিমপুর, হোগলবেরিয়া সহ একাধিক থানা এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে এই ধরনের দুর্ঘটনার খবর মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে আসে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই তদন্তে জানা গিয়েছে, বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দোকানে পেট্রল ও ডিজেল রাখা ছিল। সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই বিক্রির জন্য দোকানে পেট্রল বা ডিজেল রাখে বেশ কিছু ব্যবসায়ী। সেই পেট্রল ও ডিজেল কেনে গাড়ি ও বাইকের মালিকরা। চলতি কথায় পেট্রল পাম্পের বাইরে বিক্রি হওয়া এই ধরনের পেট্রল ও ডিজেলকে ‘কাটা তেল’ বলা হয়। কাটা তেল ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। ঘটেওছে। অথচ হেলদোল নেই প্রশাসনের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও উপভোক্তা এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত। কীভাবে চলে এই অবৈধ কারবার? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক কাটা তেল ব্যবসায়ী জানালেন, আমরা পেট্রল পাম্প থেকে পেট্রল ও ডিজেল কিনে আনি। তারপর ৫০০ থেকে ১ লিটারের বোতলে ভর্তি করে সামনে সাজিয়ে রাখি। বিভিন্ন বাইক এসে সেই পেট্রল কিনে নিয়ে যায়। আমরা পাম্পের থেকে পাঁচ থেকে সাত টাকা বেশি দাম নিয়ে থাকি। আমরা জানি এটা বিপজ্জনক। যে কোনও সময়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবু দুটো টাকা লাভের আশায় করি। এই ধরনের দোকান পাড়ার মোড়ে এমনকী জনবহুল বাজার এলাকায় দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যে ভাবে বিভিন্ন দোকানে পেট্রল ও ডিজেল রাখা থাকে তাতে যে কোনও দিন বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই প্রশাসনের উচিত কাটা তেলের কারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাঁদের আরও অভিযোগ, আগে এলাকায় পেট্রল পাম্পের অভাব ছিল, তখনও এত পরিমাণ কাটা তেল বিক্রি হতো না। এখন পেট্রল পাম্পের অভাব নেই, তাও এই ব্যবসা চলছে।
সরকারি নিয়মে রয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রল পাম্প থেকেই পেট্রল ও ডিজেল বিক্রি হবে। কিন্তু বেশ কিছু ব্যবসায়ী বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য এই তেল দোকানে মজুত করছে। সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হলেও তা অপর্যাপ্ত। প্রকাশ্য রাস্তায় কিংবা প্রশাসনিক এলাকার বিভিন্ন দোকানেই এহেন অবৈধ কারবারে হুঁশ নেই কারও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও উপভোক্তা এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত। কীভাবে চলে এই অবৈধ কারবার? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক কাটা তেল ব্যবসায়ী জানালেন, আমরা পেট্রল পাম্প থেকে পেট্রল ও ডিজেল কিনে আনি। তারপর ৫০০ থেকে ১ লিটারের বোতলে ভর্তি করে সামনে সাজিয়ে রাখি। বিভিন্ন বাইক এসে সেই পেট্রল কিনে নিয়ে যায়। আমরা পাম্পের থেকে পাঁচ থেকে সাত টাকা বেশি দাম নিয়ে থাকি। আমরা জানি এটা বিপজ্জনক। যে কোনও সময়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবু দুটো টাকা লাভের আশায় করি। এই ধরনের দোকান পাড়ার মোড়ে এমনকী জনবহুল বাজার এলাকায় দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যে ভাবে বিভিন্ন দোকানে পেট্রল ও ডিজেল রাখা থাকে তাতে যে কোনও দিন বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই প্রশাসনের উচিত কাটা তেলের কারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাঁদের আরও অভিযোগ, আগে এলাকায় পেট্রল পাম্পের অভাব ছিল, তখনও এত পরিমাণ কাটা তেল বিক্রি হতো না। এখন পেট্রল পাম্পের অভাব নেই, তাও এই ব্যবসা চলছে।
সরকারি নিয়মে রয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রল পাম্প থেকেই পেট্রল ও ডিজেল বিক্রি হবে। কিন্তু বেশ কিছু ব্যবসায়ী বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য এই তেল দোকানে মজুত করছে। সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হলেও তা অপর্যাপ্ত। প্রকাশ্য রাস্তায় কিংবা প্রশাসনিক এলাকার বিভিন্ন দোকানেই এহেন অবৈধ কারবারে হুঁশ নেই কারও।



