সংবাদদাতা, তেহট্ট : তেহট্ট ১ ও ২ ব্লকে যেখানে সেখানে পানীয় জলের বেসরকারি প্ল্যান্ট গজিয়ে উঠেছে। সেখানে সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে জল তুলে বিভিন্ন বাড়িতে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব প্ল্যান্টের সরকারি ছাড়পত্র আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যেভাবে ভূগর্ভস্থ জল তুলে সরবরাহ চলছে, তাতে কিছুদিনের মধ্যে জলসঙ্কট দেখা দিতে পারে বলেও স্থানীয়দের আশঙ্কা। সেইসঙ্গে তাঁরা এই জলের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। অবিলম্বে এসব প্ল্যান্টে গিয়ে সরেজমিনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
Advertisement
তেহট্ট ১ ও ২ ব্লক মিলিয়ে প্রায় ৫০-৫৫টি প্ল্যান্ট রয়েছে। এই দু’টি ব্লকে সরকারিভাবে পানীয় জল পরিষেবার অবস্থা খুব খারাপ। তাই এসব প্ল্যান্টের বাড়াবাড়ি। এই সমস্ত প্ল্যান্টে সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে জল তোলা হচ্ছে। এতে ভূগর্ভস্থ জলে টান পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ড্রামে করে বাড়ি বাড়ি সেই জল সরবরাহ করা হয়। মূলত যে সমস্ত এলাকার মানুষ জলসঙ্কটে ভোগেন, তাঁরা এই ড্রামের জল কিনে পান করেন। কিন্তু কোনও লেবেল না থাকায় সেই জলের গুণগত মান ঠিক আছে কি না, সেটা জানা যায় না। সমস্ত প্ল্যান্ট সরকারি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কিনা-তা নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। যদি সরকারি নিয়ম মেনে এসব প্ল্যান্ট তৈরি না হয়ে থাকে, তবে অবিলম্বে এরকম প্ল্যান্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলেও বাসিন্দারা জানান।
তেহট্ট -১ এর বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, আমরা প্রত্যেক পাড়ায় সজলধারা প্রকল্প করেছি। মানুষকে সেখান থেকে পানীয় জল নিতে বলছি। যারা যথেচ্ছভাবে পানীয় জল তুলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তেহট্ট -১ এর বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, আমরা প্রত্যেক পাড়ায় সজলধারা প্রকল্প করেছি। মানুষকে সেখান থেকে পানীয় জল নিতে বলছি। যারা যথেচ্ছভাবে পানীয় জল তুলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



