সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট-১ পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেছেন বিডিও।। এই অভিযোগে এদিন সন্ধ্যার সময় বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূলের অভিযোগ, গত সোমবার বিডিও সঞ্জীব সেন ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ অঞ্জলি বিশ্বাসকে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন। অঞ্জলিদেবী ওইদিন বিকালে সজলধারা ও হাইমাস্ট লাইট নিয়ে সমস্যার কথা বলতে গিয়েছিলেন।
Advertisement
অঞ্জলিদেবী বলেন, কানাইনগর বাজারে একটি হাইমাস্ট লাইট ও একটি সজলধারা প্রকল্প খারাপ হয়ে গিয়েছে। এলাকার মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। তা মেরামত করার জন্য কথা বলতে বিডিও-র চেম্বারে যাই। কথা বলার সময় তিনি অশ্লীল ভাষায় আমাকে একটা উদাহরণ দেন। উনি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তা মহিলাদের পক্ষে অসম্মানজনক। এই ধরনের কথা বিডিও বলবেন এটা ভাবতে পারিনি। এই কথা জানাজানি হতেই এদিন সন্ধ্যার সময় বিডিও অফিসের সামনে কানাইনগর এলাকার তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিস এসে অবস্থা সামাল দেয়।
ব্লক অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খারাপ হয়ে যাওয়া সজলধারা প্রকল্প গ্রাম পঞ্চায়েতের সারানো উচিত। আর সেটা দেখভাল করবেন এলাকার মানুষজন। একই ভাবে হাইমাস্ট লাইটের বিল দিতে হয় পঞ্চায়েতকে। এই বিষয় নিয়ে বিডিও সাহেব একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তার ভুল বাখ্যা করা হচ্ছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিডিও বলেন, অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ার জন্যই এই ধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে।
ব্লক অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খারাপ হয়ে যাওয়া সজলধারা প্রকল্প গ্রাম পঞ্চায়েতের সারানো উচিত। আর সেটা দেখভাল করবেন এলাকার মানুষজন। একই ভাবে হাইমাস্ট লাইটের বিল দিতে হয় পঞ্চায়েতকে। এই বিষয় নিয়ে বিডিও সাহেব একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তার ভুল বাখ্যা করা হচ্ছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিডিও বলেন, অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ার জন্যই এই ধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে।



