সংবাদদাতা, তেহট্ট: একবছরের বেশি সময় ধরে পাড়ায় পাড়ায় আবর্জনা সংগ্রহ বন্ধ ছিল। ফলে তেহট্ট শহরজুড়ে যেখানে সেখানে আবর্জনা জমে থাকত। তাতে বাসিন্দারা সমস্যায় পড়ছিলেন। এবার ফের বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ শুরু করছে তেহট্ট-১ পঞ্চায়েত সমিতি। তবে কাজ শুরু হলেও তা কতদিন চলবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
তেহট্ট-১ এর বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, আমরা প্রতিদিনের আবর্জনা সংগ্রহের জন্য একটি টেন্ডার করেছি। সেই টেন্ডার যিনি পেয়েছেন, তিনি দু’তিনদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবেন।
ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৩সালে তেহট্ট-১ ব্লকে চারটি আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি আনা হয়েছিল। ঠিক ছিল, তেহট্ট পঞ্চায়েতের বিভিন্ন পাড়ায় এসমস্ত গাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ করবে। ফলে তেহট্ট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে। সংগৃহীত বর্জ্য ফেলার জন্য তেহট্টের বয়ারবান্ধায় জায়গা করা হয়েছিল। কিন্তু চালুর কয়েকমাস পর থেকেই এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। আবর্জনা সংগ্রহ বন্ধ হয়ে থাকায় তেহট্টের রাস্তাঘাট, পাড়ার মোড়ে জঞ্জাল ফেলে রাখা হচ্ছিল। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি এলাকার পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছিল। অবশেষে পঞ্চায়েত সমিতি ফের বর্জ্য সংগ্রহ শুরু করতে চলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তেহট্টবাসী।
তেহট্টের বধূ সুপর্ণা বিশ্বাস বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির গাড়ি যদি পাড়ায় এসে আবর্জনা সংগ্রহ করে, সেটা খুব ভালো হয়। তাহলে রাস্তা, বাড়ি সব পরিষ্কার থাকবে। তাতে আমাদের মাসে কিছু টাকা দিতে হলেও সমস্যা হবে না। সারাবছর যাতে এই পরিষেবা সচল থাকে, সেবিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৩সালে তেহট্ট-১ ব্লকে চারটি আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি আনা হয়েছিল। ঠিক ছিল, তেহট্ট পঞ্চায়েতের বিভিন্ন পাড়ায় এসমস্ত গাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ করবে। ফলে তেহট্ট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে। সংগৃহীত বর্জ্য ফেলার জন্য তেহট্টের বয়ারবান্ধায় জায়গা করা হয়েছিল। কিন্তু চালুর কয়েকমাস পর থেকেই এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। আবর্জনা সংগ্রহ বন্ধ হয়ে থাকায় তেহট্টের রাস্তাঘাট, পাড়ার মোড়ে জঞ্জাল ফেলে রাখা হচ্ছিল। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি এলাকার পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছিল। অবশেষে পঞ্চায়েত সমিতি ফের বর্জ্য সংগ্রহ শুরু করতে চলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তেহট্টবাসী।
তেহট্টের বধূ সুপর্ণা বিশ্বাস বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির গাড়ি যদি পাড়ায় এসে আবর্জনা সংগ্রহ করে, সেটা খুব ভালো হয়। তাহলে রাস্তা, বাড়ি সব পরিষ্কার থাকবে। তাতে আমাদের মাসে কিছু টাকা দিতে হলেও সমস্যা হবে না। সারাবছর যাতে এই পরিষেবা সচল থাকে, সেবিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।



