Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তেহট্টে হিমঘর গড়ার দাবি সব্জি চাষিদের

তেহট্টে হিমঘর গড়ার দাবি সব্জি চাষিদের
  • ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট মহকুমাজুড়ে নানা ধরনের সব্জি চাষ হয়। শীতকালে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মটরশুঁটির পাশাপাশি গরমকালে পটল, কুমড়ো সহ অন্য ফসল চাষ হয়। কিন্তু বেশি ফলন হলে চাষিরা তেমন দাম পান না। এখানে কোনও হিমঘর নেই। ফলে বাজারে দাম কম থাকলেও চাষিদের উৎপাদিত ফসল অল্প দামে বেচে দিতে হয়। এতে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। হিমঘর থাকলে সেখানে ফসল রেখে তাঁরা সময়মতো বিক্রি করতে পারতেন। সেজন্য তেহট্টে হিমঘর তৈরির দাবি উঠেছে।
Advertisement
এবিষয়ে কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, হিমঘর তৈরির জন্য আমরা জায়গার ব্যবস্থা করে দেব। যদি কেউ হিমঘর গড়তে রাজি হয়, আমরা তাঁকে সবরকমভাবে সহযোগিতা করব।
তেহট্টের বিভিন্ন জায়গায় নানারকম ফসল চাষ হয়। তার মধ্যে পাট, গম, ধান বাড়িতে রাখা গেলেও কোনও সব্জি এভাবে রাখা যায় না। বাজারে যে দামই থাকুক, তাতেই বিক্রি করে দিতে হয়। নাহলে সব্জি পচে যাবে। এই এলাকায় প্রায় পাঁচহাজার বিঘা জমিতে কুমড়ো চাষ হয়। কয়েক বিঘা জমিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি সহ নানা শীতকালীন সব্জি চাষ হয়। এসব সব্জি এখান থেকে গাড়ি ভর্তি করে বাইরে পাঠানো হয়। কিন্তু পাইকাররা তখন যে দাম দেন, সেই দামেই চাষিদের সব্জি বিক্রি করতে হয়। ফলে অনেকসময় চাষিরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। তাঁরা হিমঘরে এই ফসল রাখতে পারলে পরে দাম বাড়লে বিক্রি করে দিতে পারতেন। স্থানীয় চাষি প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, এখানে কুমড়ো বা শীতকালীন অন্য সব্জি যে পরিমাণে চাষ হয়, তাতে অবশ্যই হিমঘরের প্রয়োজন। হিমঘর না থাকায় কখনও কখনও অনেক কম দামে সব্জি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হই। এতে আমাদের ক্ষতি হয়। 
সম্পর্কিত সংবাদ