Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তেহট্টে বিসর্জনঘাট সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ

তেহট্টে বিসর্জনঘাট সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, তেহট্ট: প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির পরেও তেহট্ট খেয়াঘাট সংস্কার তো দূরের কথা, বিসর্জনের সুবিধার কোনওরকম ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রতি বছর তেহট্টে নানা পুজোর বিসর্জন হয়। কিন্তু এখনও ঘাটের সঠিক সংস্কার না হওয়ায় পুজো উদ্যোক্তাদের সমস্যায় পড়তে হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
Advertisement
তেহট্ট-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইমরান শেখ বলেন, আমরা খুব তাড়তাড়ি বিসর্জন ঘাট সংস্কার করব। সেখানে যাওয়ার রাস্তাও সংস্কার করা হবে।তেহট্টে হয় না এমন পুজো নেই। এখানে প্রতি বছরই আড়ম্বরের সঙ্গে দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী, গণেশপুজো হয়। তবে তেহট্টের সবচেয়ে বড় পুজো জগদ্ধাত্রীপুজো। বিশেষত তেহট্ট ও নাটনা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন পুজোর বিসর্জন হয় জলঙ্গির ঘাটে। তেহট্ট পঞ্চায়েতের এই জায়গায় বিসর্জনঘাটের ঠিক পাশেই খেয়াঘাট রয়েছে। পুজো উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, বিসর্জনঘাট নিচু হওয়ায় গাড়ি সহ প্রতিমা নামাতে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়। এছাড়া, ওই ঘাটে ঢোকার রাস্তা বহুদিন ধরে বেহাল। ফলে সেখান দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতেও সমস্যা হয়। বিসর্জন দেওয়ার জায়গা সংকীর্ণ। ফলে লোক দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না। এছাড়া, ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের পর গাড়ি উপরে তুলতেও চালকদের হিমশিম খেতে হয়। এখানেও সমস্যা।এলাকার বড় পুজো জগদ্ধাত্রী। তেহট্ট মহকুমায় ৭০টির বেশি পুজো হয়। শুধুমাত্র তেহট্টতেই ৬০-এর কাছাকাছি জগদ্ধাত্রীপুজো হয়। জলঙ্গির ঘাটেই বেশিরভাগ প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হয়। পুজো উদ্যোক্তারা জানান, প্রতি বছর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ঘাট সংস্কারের দাবি জানানো হয়। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও ঘাটের সঠিক সংস্কার হয়নি।
তেহট্টের একটি দুর্গাপুজো কমিটির সম্পাদক কাজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে কাজ হয় না। কার্নিভালের পর বিসর্জন ঘাটে গিয়ে খুব সমস্যায় পড়তে হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ