সুমন তেওয়ারি, দুর্গাপুর: পঞ্চায়েত ও পুরসভায় নাগরিক পরিষেবার কাজ বন্ধ রাখা যাবে না। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এমনই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে সৃজনী হলে মন্ত্রীসভার সহকর্মী অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ সহ পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের কাছে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরা না এলে যাবতীয় কাজ দেখভাল করবেন সচিব। একইভাবে পঞ্চায়েত সমিতির কাজ দেখবেন বিডিও। পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের না আসার কারণও ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা জোর দিয়েছি উন্নয়নে। অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পুরসভার লোকেরা পালিয়ে গিয়েছেন। কেউ তাঁদের তাড়িয়ে দেয়নি। ওঁদের মধ্যে দুটো গ্লানি কাজ করছে। প্রথমত ছাপ্পা মেরে জিতেছেন। দ্বিতীয়ত আবাস যোজনা থেকে শুরু করে ঠিকাদারদের কাছ থেকে প্রচুর টাকা অগ্রিম নিয়ে রেখেছেন। রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর টাকা ফেরত দিতে হবে। সেই কারণেও পালিয়েছেন। ফলে, পঞ্চায়েত, পুরসভাগুলিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তার জেরে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। আমরা বলে দিলাম, পঞ্চায়েতের সচিব রয়েছেন। তিনি কাজ করবেন। পঞ্চায়েত অফিসকে অচল করে রাখার অধিকার কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলের নেই। পঞ্চায়েত সমিতিতে এক্সিকিউটিভ অফিসার বিডিও রয়েছেন। তিনি কাজ করবেন। আমাদের সমস্ত স্কিম চালু করতে হবে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত স্কিমে যুক্ত হয়ে গিয়েছি আমরা। তার সুফল যাতে আগামী জুলাই মাস থেকে জনগণ পায়, তার জন্য প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিতে হবে। যেমন, আয়ুষ্মান ভারতের পোর্টাল, বিশ্বকর্মা যোজনার এমএসএমই ডিপার্টমেন্টের কমিটি তৈরি করে ট্রেনিংয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। আরও নতুন ১৫ লক্ষ মা-বোন-দিদিকে উজলা গ্যাস যোজনার সুযোগ দিতে হবে।



