Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

মস্তিষ্কের রহস্যভেদ, চিকিৎসায় নোবেল তিন বিজ্ঞানীর

কীভাবে স্মৃতি তৈরি করে মানব-মস্তিষ্ক? কীভাবেই বা অনুভূতি প্রকাশ করে? মানুষের বিভিন্ন আচরণের নেপথ্যে রয়েছে কোন জটিল প্রক্রিয়া?

মস্তিষ্কের রহস্যভেদ, চিকিৎসায় নোবেল তিন বিজ্ঞানীর
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

স্টকহোম: কীভাবে স্মৃতি তৈরি করে মানব-মস্তিষ্ক? কীভাবেই বা অনুভূতি প্রকাশ করে? মানুষের বিভিন্ন আচরণের নেপথ্যে রয়েছে কোন জটিল প্রক্রিয়া? এই সব রহস্যভেদ করেই চলতি বছরে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন কার্ল ডেসিয়েরথ, পিটার হেগমান ও জর্জ নাগেল। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের নাম ঘোষণা করল সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি। বিজ্ঞানী কার্ল ডেসিয়েরথ ক্যার্লিফোনিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত। হেগম্যান ও নাগেল জার্মানির দুটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক।  মোট ১২ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রাউন (১২লক্ষ ডলার) পুরস্কার হিসাবে পাবেন এই তিন বিজ্ঞানী। 

Advertisement

২০০৫ সালে পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল এককোষী শৈবালে চ্যানেলরডোপসিন নামের একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন। এই প্রোটিনের উপর নীল আলো পড়লে একটি চ্যানেল খুলে যায়। ফলে একটি বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি হয়। এই প্রোটিন অন্য কোষে প্রবেশ করালে সেগুলিও আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। এই প্রোটিনের জিন নিয়ে গবেষণা করেছেন কার্ল। ২০০৭ সালে তিনি দেখান, এই প্রোটিনের মাধ্যমে জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মস্তিষ্কে একটি সুইচের মতো কাজ করে এই প্রোটিন। যা আলো পড়লেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।  এই পদ্ধতিটি বর্তমানে অপটোজেনেটিক্স নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এই অপটোজেনেটিক্স নিউরোসায়েন্সে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই অপটোজেনেটিক্সের মাধ্যমে পারকিনসন, মৃগী, ডিপ্রেসন, স্নায়বিক জটিলতার কারণে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো বেশ কিছু রোগের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে যেতে পারে। এমনকি এই পদ্ধতি ব্যবহার করে বংশগত রেটিনার সমস্যা মতো বেশকিছু দৃষ্টিহীনতার চিকিৎসাও সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ