নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরের ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। তার মধ্যেই এবার পাকিস্তান সীমান্তে বড়ো মাপের সামরিক মহড়ার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। ৩০ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ১১ দিন আকাশ, স্থল ও জলপথে এই মহড়া চলবে। যাতে অংশ নেবে ভারতীয় সেনার তিন বাহিনীই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মহড়ায় থাকবে রাফালের মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানও। জল্পনা চলছে, সিন্দুরের সময় যে বিমানগুলি ধ্বংস হয়েছে বলে পাকিস্তান দাবি করেছিল,সেই বিমানগুলিকে হাজির করিয়ে বিশ্বকে বার্তা দিতে পারে ভারত। এই মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ত্রিশূল’। যার জন্য পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ইতিমধ্যেই নোটাম (নোটিশ টু এয়ারমেন) জারি করেছে ভারত। পাকিস্তান সীমান্তে টানা ১১দিন ধরে এত বড়ো মাপের মহড়া সাম্প্রতিক সময়ে হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের এই পদক্ষেপকে কিছুটা ‘অস্বাভাবিক’ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। ত্রিশূল নিয়ে যে পাকিস্তানের অন্দরেও কাঁপুনি শুরু হয়েছে, তা তাদের কার্যকলাপেই স্পষ্ট। ভারতের পালটা হিসেবে তড়িঘড়ি ইসলামাবাদও সীমান্তের ওপারের আকাশসীমা বন্ধ করার জন্য নোটাম জারি করেছে। ২৮ থেকে ২৯ অক্টোবর এই নির্দেশিকা বহাল থাকবে। কেন নোটিশ জারি করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে পাকিস্তান জানায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, পাক সেনাও নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য সীমান্তে মহড়া চালাতে পারে। আবার একটি মহল মনে করছে, সিন্দুরের আতঙ্ক এখনও পাকিস্তানকে তাড়া করছে। তাই ভারত আক্রমণ চালাতে পারে, এই আশঙ্কাতেই আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে তারা।



