Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুলিশের কাছাকাছি ছিল তিন অভিযুক্ত, সামিল বিক্ষোভেও

শরিফুলের মৃত্যু তদন্তে নতুন তথ্য হাতে এল পুলিশের। দেগঙ্গায় যুবককে মাস খানেক ধরে খুনের পরিকল্পনা চলছে।

পুলিশের কাছাকাছি ছিল তিন  অভিযুক্ত, সামিল বিক্ষোভেও
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শরিফুলের মৃত্যু তদন্তে নতুন তথ্য হাতে এল পুলিশের। দেগঙ্গায় যুবককে মাস খানেক ধরে খুনের পরিকল্পনা চলছে। ধৃত তিনজনকে জেরা করে এমনই তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ। মূলত শফিকুল ও শরিফুল দু’জনের ব্যাপারে পরস্পর জেনে যাওয়ায় বিবাদ শুরু। রাতে শফিকুল ও শরিফুল একইসময় আসত অভিযুক্ত ইসমাতারার কাছে। তা নিয়ে তিক্ততা চরমে ওঠে। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, মঙ্গলবার দেহ উদ্ধারের সময় পুলিশের কাছাকাছি ছিল তিন অভিযুক্ত মহাদেব ঘোষ ওরফে মনা, শফিকুল ইসলাম ও ইসমাতারা বিবি। পুলিশের তদন্তে কোন দিকে যাচ্ছে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নজর রেখেছিল তারা। এমনকি পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে দেখা গিয়েছিল তাদেরও। 

Advertisement

তবে, মৃত শরিফুল ইসলামের স্ত্রীর বয়ানে অভিযুক্তদের জারিজুরি ধরা পড়ে যায়। তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, এই ঘটনার পিছনে আর্থিক লেনদেনও থাকতে পারে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সেই দিকটিও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মৃত শরিফুলের মোবাইল হাতে এলে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে শরিফুল ইসলামের দেহ উদ্ধার হয় দেগঙ্গার শ্বেতপুর গ্রামে। পুলিশ শরিফুলের প্রেমিকা গৃহবধূ ইসমাতারা বিবি (৪৫)-কে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, ইসমাতারার সঙ্গে মনার ছিল দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। পরে গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রতিবেশী শরিফুলের। এবং ত্রিমুখী প্রেমের সম্পর্কে ঢুকে পড়ে সফিকুল ইসলাম। তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আক্রোশ ক্রমশ বাড়তে থাকে। মৃত শরিফুলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকাও ইসমাতারা নিয়েছেন বলে জেনেছে পুলিশ। তাই শরিফুলকে শেষ করতে মনাকে সঙ্গে নিয়ে ছক করে ইসমাতারা ও শফিকুল। সেই মতো সোমবার রাতে শরিফুলকে ফোন করে ডাকে ইসমাতারা। তারপরই শ্বাস রোধ করে খুন করা হয়। ফেলে দেওয়া হয় মোবাইল ফোন। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ। দেগঙ্গা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার পুনর্নিমাণ করা হবে। ফোন উদ্ধার হলে তা থেকে আরও রসদ পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা তদন্তকারীদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ