Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভবন ওড়ানোর ছক ছিল লালকেল্লা বিস্ফোরণে ধৃতদের

লালকেল্লায় জঙ্গি হামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত বছরের ২৫-৩০ আগস্টের মধ্যে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে লখনউয়ে আসে দুই অভিযুক্ত মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদ।

উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভবন ওড়ানোর ছক ছিল লালকেল্লা বিস্ফোরণে ধৃতদের
  • ২৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: লালকেল্লায় জঙ্গি হামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত বছরের ২৫-৩০ আগস্টের মধ্যে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে লখনউয়ে আসে দুই অভিযুক্ত মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদ। তাদের লক্ষ্য ছিল উত্তরপ্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও জনবহুল এলাকাগুলিকে নিশানা করা। সেইমতো লখনউ সহ একাধিক জায়গা ‘রেকি’ করে তারা।

Advertisement

তদন্তে উঠে এসেছে, মুজাম্মিল লখনউয়ের বিধানসভা ভবন, বাপু ভবন, ইমামবাড়া, লালবাগ এবং আমিনাবাদ এলাকায় নজরদারি চালায়। সেইসঙ্গে এই এলাকাগুলিতে হামলা চালানোর জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গাও চিহ্নিত করেছিল। বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি ব্যবহার করে হামলার পরিকল্পনা ছিল তাদের। এনআইএ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত মুজাম্মিল মোবাইল ফোন থেকে সার্চ করে লখনউয়ের বিভিন্ন রাসায়নিক দোকানের একটি তালিকা তৈরি করেছিল। টিএটিপি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার বিস্ফোরণেও এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। মুজাম্মিলের নির্দেশে শাহিন রাসায়নিক বিক্রির দোকানগুলির নাম লিখে রেখেছিল। পরে সেই তালিকা শাহিনের মোবাইল থেকে উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, লখনউ গিয়ে শাহিনের এক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছিল মুজাম্মিল। এদিকে চিহ্নিত হওয়া দোকানগুলিতে যথেষ্ট পরিমাণ রাসায়নিক মজুত রয়েছে কি না, সেই ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নিতে স্থানীয় এক ব্যক্তির সাহায্য নেয় মুজাম্মিল। পাশাপাশি, লখনউয়ের নির্জন এলাকার কোনা বাড়িতে বিস্ফোরক তৈরির পরিকল্পনা ছিল তাদের। গত ১৪ মে এই মামলায় এনআইএ চার্জশিট জমা করে।  উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভবন। ফাইল চিত্র 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ