নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরগামী ট্রেন স্টেশনে থামতেই পিল পিল করে লোক নামতে শুরু করেন। যাত্রীদের ভিড়ে কার্যত অবরুদ্ধ স্টেশন চত্বর এলাকা। স্টেশন থেকে বেরলেই এক ঝাঁক টোটোর ভিড়। যাত্রী তোলার চূড়ান্ত ব্যস্ততা সেখানেও। অধিকাংশ টোটোই হাঁক দিচ্ছে, নবদ্বীপ ঘাট যাওয়ার। মুহূর্তের মধ্যেই স্টেশনের বাইরের সেই টোটো স্ট্যান্ড খালি হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের নিয়ে রওনা দিচ্ছে নবদ্বীপ ঘাটের দিকে। রবিবার ছুটির দিন সকালে এমনই দৃশ্য চোখে পড়ে। এই শীতের আবহে চৈতন্যভূমির টানে দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসছেন নদীয়া জেলায়। কারও দর্শনের নেশা, কারও আবার ইতিহাসকে প্রত্যক্ষ করার নেশা। তাই অসংখ্য পর্যটকের চরণচিহ্ন পড়ছে নদীয়ায়। রবিবার কৃষ্ণনগরগামী অধিকাংশ লোকাল ট্রেনে পা রাখার জায়গা ছিল না। শুধু মায়াপুর নয়, পর্যটকদের ঝোঁক ছিল বেথুয়াডহরি অভয়ারণ্য, পলাশি মনুমেন্টের দিকেও। তাঁরা অবশ্য কৃষ্ণনগরে না নেমে সরাসরি লালগোলার ট্রেন ধরে সেইদিকেই রওনা দিচ্ছেন।
Advertisement
কৃষ্ণনগর রেলস্টেশনের এই আধিকারিকের কথায়, ছুটির দিনে এই সময় প্রতিবছরই পর্যটকের চাপ থাকে। কিন্তু এবছর সেই চাপ অনেকটাই বেশি। রবিবার সকালে ও বিকালের দিকের ট্রেনগুলিতে যাত্রীদের চাপ অনেকটাই বেশি ছিল।
উল্লেখ্য, শীতে জবুথবু নদীয়া জেলা। পারদ নেমেছে দশ ডিগ্রির নীচে। রবিবার নদীয়া জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কৃষ্ণনগরে যদিও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ সেলসিয়াস। কিন্তু কৃষ্ণনগরে শৈত্যপ্রবাহের আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল সকাল থেকেই। এই কনকনে ঠান্ডাই ভ্রমণপিপাসুদের ঘুরতে বেরনোর আদর্শ সময়। তাই দেরি না করে ছুটির দিন দেখে অনেকেই চলে আসছেন নদীয়ায়। সেই মতো জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণপিপাসুদের চাপ বাড়ছে। বলাবাহুল্য, বৎসরান্তে উৎসবের মরশুম জেলাজুড়েই। এমনিতেই মায়াপুর ইস্কন নদীয়া জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে পর্যটকদের চাপ বেশি ছিল। এছাড়া নবদ্বীপের বিভিন্ন মন্দির এবং বল্লাল টিপিও পর্যটকদের টানছে।
নৈহাটি থেকে এসেছিলেন অঙ্কিতা মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘শীত পড়লেই এদিক-ওদিক আমরা পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাই। রবিবার ছুটির দিন ছিল। তাই মায়াপুর ঘুরতে এসেছি। সময় করে আর একবার এসে বেথুয়াডহরি অভয়ারণ্য দেখে যাব।’ হাওড়া থেকে কৃষ্ণনগর আসছিলেন মৃন্ময় প্রামাণিক। তিনি বলেন, ‘শিয়ালদা থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ঠায় দাঁড়িয়ে এসেছি। ট্রেনে পা রাখার জায়গা ছিল না। অন্যান্য সময় রবিবারের ট্রেনগুলি ফাঁকা থাকে। কিন্তু এবার দেখছি ট্রেনের অধিকাংশ যাত্রীই মায়াপুর নবদ্বীপ সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছেন।’ কাঁচরাপাড়ার ইতিহাস শিক্ষিকা শর্মিলা দাস বলেন, ‘ছেলেকে নবদ্বীপের বল্লাল টিপি দেখানোর ইচ্ছা ছিল। তাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছি। তার উপর এবার ঠান্ডাটাও ভালো পড়েছে।’
উল্লেখ্য, শীতে জবুথবু নদীয়া জেলা। পারদ নেমেছে দশ ডিগ্রির নীচে। রবিবার নদীয়া জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কৃষ্ণনগরে যদিও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ সেলসিয়াস। কিন্তু কৃষ্ণনগরে শৈত্যপ্রবাহের আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল সকাল থেকেই। এই কনকনে ঠান্ডাই ভ্রমণপিপাসুদের ঘুরতে বেরনোর আদর্শ সময়। তাই দেরি না করে ছুটির দিন দেখে অনেকেই চলে আসছেন নদীয়ায়। সেই মতো জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণপিপাসুদের চাপ বাড়ছে। বলাবাহুল্য, বৎসরান্তে উৎসবের মরশুম জেলাজুড়েই। এমনিতেই মায়াপুর ইস্কন নদীয়া জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে পর্যটকদের চাপ বেশি ছিল। এছাড়া নবদ্বীপের বিভিন্ন মন্দির এবং বল্লাল টিপিও পর্যটকদের টানছে।
নৈহাটি থেকে এসেছিলেন অঙ্কিতা মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘শীত পড়লেই এদিক-ওদিক আমরা পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাই। রবিবার ছুটির দিন ছিল। তাই মায়াপুর ঘুরতে এসেছি। সময় করে আর একবার এসে বেথুয়াডহরি অভয়ারণ্য দেখে যাব।’ হাওড়া থেকে কৃষ্ণনগর আসছিলেন মৃন্ময় প্রামাণিক। তিনি বলেন, ‘শিয়ালদা থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ঠায় দাঁড়িয়ে এসেছি। ট্রেনে পা রাখার জায়গা ছিল না। অন্যান্য সময় রবিবারের ট্রেনগুলি ফাঁকা থাকে। কিন্তু এবার দেখছি ট্রেনের অধিকাংশ যাত্রীই মায়াপুর নবদ্বীপ সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছেন।’ কাঁচরাপাড়ার ইতিহাস শিক্ষিকা শর্মিলা দাস বলেন, ‘ছেলেকে নবদ্বীপের বল্লাল টিপি দেখানোর ইচ্ছা ছিল। তাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছি। তার উপর এবার ঠান্ডাটাও ভালো পড়েছে।’



