নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: পশ্চিমীঝঞ্ঝা নেই। দু’দিন পর দেখাও মিলেছে সূর্যের। কিন্তু কুয়াশার দাপট অব্যাহত। সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া। যার জেরে বুধবারও ঠান্ডায় কেঁপেছে উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে সমতল। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর সর্বত্র ঠান্ডার কামড় তীব্র হয়। কেউ চায়ের দোকানে গ্যাসের উনুনের সামনে দাঁড়িয়ে, আবার কেউ রাস্তার ধারে কাঠ জ্বালিয়ে গা-হাত-পা সেঁকে নেন। আরও কয়েকদিন এমন আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। একইসঙ্গে কুয়াশার জেরে বিমান ও ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলেও আশঙ্কা।
Advertisement
সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে পশ্চিমীঝঞ্ঝা পূর্বদিকে সরে গিয়েছে। তাই পাহাড় ও সমতলে সূর্যে দেখা মিলেছে। ধীরে ধীরে দিনের তাপমাত্রা বাড়বে। তবে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে। রাতের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমবে।
পশ্চিমীঝঞ্ঝার জেরে গত কয়েকদিন দার্জিলিং পাহাড় ও শিলিগুড়িতে সূর্যের তেমন দেখা মেলেনি। দু’দিন পর এদিন সকালে শৈলশহর দার্জিলিং ও শিলিগুড়ি ছিল রোদ ঝলমলে। তাই কেউ বাড়ি ছাদে, কেউ মাঠে বসে মিঠেকড়া রোদ উপভোগ করেন। তা অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
দুপুর হতে না হতেই উধাও হয় সূর্য। পাহাড় ও সমতল ঢেকে যায় কুয়াশায়। সন্ধ্যার পরে শহর ও গ্রামের বেশকিছু জায়গা আবৃত হয় ঘন কুয়াশায় চাদরে। সেই সব জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে যায়। প্রতিবেশী পাহাড়ি জেলা কালিম্পংয়ের অবস্থাও ছিল একই। পাহাড়ের মতো এদিন রাতে শিলিগুড়ি শহরের অনেক বাড়ি ও হোটেলে রুম হিটার জ্বালিয়ে ঘর গরম করা হয়।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, এদিন দার্জিলিংয়ের রাজভবন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১.২, কালিম্পংয়ে ৯.৫ এবং শিলিগুড়িতে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। সূর্যের দেখা মিললেও কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ঠান্ডার দাপট শিলিগুড়ির থেকে বেশি ছিল। ভোরে জেলাগুলিতে ব্যাপক কুয়াশার দাপট ছিল। সূর্যের দেখা মিলতেই পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টায়। বিকেলের পর থেকেই জেলাগুলিতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ার জেরে শীতের কামড় আরও বেড়েছে। সঙ্গে ছিল ঘন কুয়াশা। সন্ধ্যা নামতেই তিন জেলার গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা শুনশান হয়ে যায়। গ্রামের অনেককে খড় ও কাঠ জ্বালিয়ে গা, হাত, পা সেঁকতে দেখা যায়।
শিলিগুড়ির থেকে নীচে ছিল কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির তাপমাত্রা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১১.৮ এবং ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুরদুয়ারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাহাড় ও সমতলের বাসিন্দারা বলেন, আর কিছুদিন পরই পৌষ মাস পড়বে। কাজেই এবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডায়
বড়দিন পালন করতে হবে বলেই মনে হচ্ছে।
পশ্চিমীঝঞ্ঝার জেরে গত কয়েকদিন দার্জিলিং পাহাড় ও শিলিগুড়িতে সূর্যের তেমন দেখা মেলেনি। দু’দিন পর এদিন সকালে শৈলশহর দার্জিলিং ও শিলিগুড়ি ছিল রোদ ঝলমলে। তাই কেউ বাড়ি ছাদে, কেউ মাঠে বসে মিঠেকড়া রোদ উপভোগ করেন। তা অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
দুপুর হতে না হতেই উধাও হয় সূর্য। পাহাড় ও সমতল ঢেকে যায় কুয়াশায়। সন্ধ্যার পরে শহর ও গ্রামের বেশকিছু জায়গা আবৃত হয় ঘন কুয়াশায় চাদরে। সেই সব জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে যায়। প্রতিবেশী পাহাড়ি জেলা কালিম্পংয়ের অবস্থাও ছিল একই। পাহাড়ের মতো এদিন রাতে শিলিগুড়ি শহরের অনেক বাড়ি ও হোটেলে রুম হিটার জ্বালিয়ে ঘর গরম করা হয়।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, এদিন দার্জিলিংয়ের রাজভবন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১.২, কালিম্পংয়ে ৯.৫ এবং শিলিগুড়িতে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। সূর্যের দেখা মিললেও কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ঠান্ডার দাপট শিলিগুড়ির থেকে বেশি ছিল। ভোরে জেলাগুলিতে ব্যাপক কুয়াশার দাপট ছিল। সূর্যের দেখা মিলতেই পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টায়। বিকেলের পর থেকেই জেলাগুলিতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ার জেরে শীতের কামড় আরও বেড়েছে। সঙ্গে ছিল ঘন কুয়াশা। সন্ধ্যা নামতেই তিন জেলার গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা শুনশান হয়ে যায়। গ্রামের অনেককে খড় ও কাঠ জ্বালিয়ে গা, হাত, পা সেঁকতে দেখা যায়।
শিলিগুড়ির থেকে নীচে ছিল কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির তাপমাত্রা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১১.৮ এবং ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুরদুয়ারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাহাড় ও সমতলের বাসিন্দারা বলেন, আর কিছুদিন পরই পৌষ মাস পড়বে। কাজেই এবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডায়
বড়দিন পালন করতে হবে বলেই মনে হচ্ছে।



