সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: থানা, দমকল কেন্দ্র ও সাঁকোয়াঝোরায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিশ্রুতিতে বাজিমাত করল তৃণমূল কংগ্রেস। মাদারিহাট বিধানসভার অন্তর্গত জলপাইগুড়ি জেলার বিন্নাগুড়ি ও সাঁকোয়াঝোরা-১ পঞ্চায়েতে ৪২৯৫ ভোটের লিড পেয়েছে শাসক দল। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৪’এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লিড ছিল ৭৪০০ ভোট। এবার উপ নির্বাচনে সাঁকোয়াঝোরা-১ পঞ্চায়েতে তৃণমূল পেয়েছে ৩১৬৭ এবং বিজেপি পেয়েছে ৬৭২ ভোট। অপরদিকে বিন্নাগুড়ি পঞ্চায়েতে ১৮০০ ভোটের লিড পেয়েছে তৃণমূল। এই ফলাফলে খুশির হাওয়া জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের অন্দরে।
Advertisement
এদিকে তৃণমূল জয়ী হতেই শাপমুক্তির আশা করছেন বাসিন্দারা। অভিযোগ, পঞ্চায়েত বিজেপির হাতে থাকায় এতদিন উন্নয়ন হয়নি। উপ নির্বাচন ঘোষণা হতেই এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতে মাটি কামড়ে পড়ে ছিল জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রচারে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয় ধূপগুড়ির তৃণমূল নেতা সহ জনপ্রতিনিধিদের। বিশেষ টিম গঠন করে চলে বুথে বুথে প্রচার। এই দুই পঞ্চায়েতে পাঁচটি চা বাগান ও দু’টি বস্তি রয়েছে। গয়েরকাটায় প্রস্তাবিত দমকল কেন্দ্র দ্রুত গড়া, দুই থানায় বিভক্ত এই দুই পঞ্চায়েতকে নিয়ে পৃথক থানার দাবি সহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়ন উপ নির্বাচনে প্রধান ইস্যু হয়। এছাড়াও বিন্নাগুড়ি রেলস্টেশনের উন্নয়ন, হাতিনালার সমস্যার সমাধান সহ বিভিন্ন দাবি ওঠে। তৃণমূল আশ্বাস দিয়েছি, ভোটে জিতলে তারা দাবিগুলি পূরণ করবে।
গয়েরকাটার বাসিন্দা অনিল মাহালি বলেন, তৃণমূল জিতল। এবার এলাকায় উন্নয়ন হবে। একই মন্তব্য সাকোয়াঝোরা-১ পঞ্চায়েতের বাসিন্দা আবু তাহের ও বিনোদ রায়ের। তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, মাদারিহাটে আমাদের বিধায়ক ছিল না। এবার মানুষ সেই সুযোগটা দিয়েছেন। আমরা তাঁদের জন্য সবরকম উন্নয়নের ব্যবস্থা করব।
গয়েরকাটার বাসিন্দা অনিল মাহালি বলেন, তৃণমূল জিতল। এবার এলাকায় উন্নয়ন হবে। একই মন্তব্য সাকোয়াঝোরা-১ পঞ্চায়েতের বাসিন্দা আবু তাহের ও বিনোদ রায়ের। তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, মাদারিহাটে আমাদের বিধায়ক ছিল না। এবার মানুষ সেই সুযোগটা দিয়েছেন। আমরা তাঁদের জন্য সবরকম উন্নয়নের ব্যবস্থা করব।



