নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰাম থানায় চালু হয়েছে শিশুবান্ধব কর্নার। সুন্দর রং করা একটি পৃথক ঘর। দেওয়ালে সাঁটা ছোটদের মনের মতো নানা পোস্টার, রয়েছে খেলার সরঞ্জামও। ফৌজদারি অভিযোগ অভিযুক্ত বা উদ্ধার হওয়া শিশু ও নাবালকদের এখানেই রাখা হচ্ছে। বাড়তি পাওনা পুলিস কাকুদের মজাদার গল্প। থানায় এসে অচিরেই ভয় দূর হয়ে যাচ্ছে। পুলিস অফিসারদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ থানা সম্পর্কে ধারণা বদলে দিচ্ছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস বলেন, থানা চত্বরেই শিশুবান্ধব কর্নারটি রয়েছে। সেটি ছোটদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। ছোটদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা হয় বলে ছোটরা মন খুলে কথা বলতে পারছে। পুলিস সম্বন্ধে ছকে বাঁধা ধারণা বদলে দিচ্ছে।
থানার ভিতরের ছবি চারপাশের জগত থেকে অনেকটাই আলাদা। বন্দুকধারী পুলিস, অফিসারদের ছোটাছুটি, হুঙ্কার, চিৎকার চেঁচামেচি, অভিযুক্তদের ভীত সন্ত্রস্ত চেহারা ছোটদের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। শিশু ও নাবালকদের মধ্যে যাতে ভয়ের সঞ্চার না হয়, তার জন্যই থানায় শিশু বান্ধব কর্নার গড়ে তোলা হয়েছে। পাচার হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করলে প্রথমে থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিভাবকের খোঁজ পাওয়া না গেলে হোমে পাঠানো হয়। ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত নাবালকদেরও গ্রেপ্তার করে থানায় রাখা হয়। পরে জুভেনাইল আদালতে পাঠানো হয়। দুপুর বা বিকেলে গ্রেপ্তার করা হলে থানায় রাত কাটানো ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকে না। অনেক সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও কিশোর-কিশোরীদের থানায় আনা হয়। থানার পরিবেশ অল্প বয়সিদের মনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলে, তা স্বীকার করে পুলিস মহলও। জেলার প্রতিটি থানায় শিশুবান্ধব কর্নার গড়ে তোলা হয়েছে। ঝাড়গ্ৰাম থানায় সম্প্রতি শিশুবান্ধব কর্নারটি চালু করা হয়েছে। সেখানে নানা ধরনের কার্টুন আঁকা হয়েছে। খেলাধুলার সরঞ্জাম, শৌচালয় আছে। শিশু ও নাবালকদের এতদিন মূল থানার ভিতরে রাখা হতো।
অনেকসময় থানার ভিতরেই রাত কাটাতে হতো। ভীতিকর পরিবেশ থাকার দিন আর নেই। উল্টে থানার পুলিস অফিসারদের কাছে মজাদার গল্প শুনে ছোটদের মুখে হাসি ফুটে উঠছে। থানা ও পুলিস সম্বন্ধে ভয় ভাঙছে। পুলিসের এই ভূমিকা প্রশংসাও পাচ্ছে।
অল্পবয়সিদের নিয়ে কাজ করা শহরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এক সদস্য বলেন, শিশুবান্ধব কর্নারে একটি ছেলে বা মেয়ে অনেক আরামদায়ক পরিবেশ পাচ্ছে। পুলিসের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে খোলামনে কথা বলতে পারছে। পুলিসের কাজও সহজ হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস যেভাবে কাজ করছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
থানার ভিতরের ছবি চারপাশের জগত থেকে অনেকটাই আলাদা। বন্দুকধারী পুলিস, অফিসারদের ছোটাছুটি, হুঙ্কার, চিৎকার চেঁচামেচি, অভিযুক্তদের ভীত সন্ত্রস্ত চেহারা ছোটদের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। শিশু ও নাবালকদের মধ্যে যাতে ভয়ের সঞ্চার না হয়, তার জন্যই থানায় শিশু বান্ধব কর্নার গড়ে তোলা হয়েছে। পাচার হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করলে প্রথমে থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিভাবকের খোঁজ পাওয়া না গেলে হোমে পাঠানো হয়। ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত নাবালকদেরও গ্রেপ্তার করে থানায় রাখা হয়। পরে জুভেনাইল আদালতে পাঠানো হয়। দুপুর বা বিকেলে গ্রেপ্তার করা হলে থানায় রাত কাটানো ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকে না। অনেক সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও কিশোর-কিশোরীদের থানায় আনা হয়। থানার পরিবেশ অল্প বয়সিদের মনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলে, তা স্বীকার করে পুলিস মহলও। জেলার প্রতিটি থানায় শিশুবান্ধব কর্নার গড়ে তোলা হয়েছে। ঝাড়গ্ৰাম থানায় সম্প্রতি শিশুবান্ধব কর্নারটি চালু করা হয়েছে। সেখানে নানা ধরনের কার্টুন আঁকা হয়েছে। খেলাধুলার সরঞ্জাম, শৌচালয় আছে। শিশু ও নাবালকদের এতদিন মূল থানার ভিতরে রাখা হতো।
অনেকসময় থানার ভিতরেই রাত কাটাতে হতো। ভীতিকর পরিবেশ থাকার দিন আর নেই। উল্টে থানার পুলিস অফিসারদের কাছে মজাদার গল্প শুনে ছোটদের মুখে হাসি ফুটে উঠছে। থানা ও পুলিস সম্বন্ধে ভয় ভাঙছে। পুলিসের এই ভূমিকা প্রশংসাও পাচ্ছে।
অল্পবয়সিদের নিয়ে কাজ করা শহরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এক সদস্য বলেন, শিশুবান্ধব কর্নারে একটি ছেলে বা মেয়ে অনেক আরামদায়ক পরিবেশ পাচ্ছে। পুলিসের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে খোলামনে কথা বলতে পারছে। পুলিসের কাজও সহজ হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস যেভাবে কাজ করছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।



