সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তা। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে নলহাটির সংকেতপুর গ্রামের কাছে রাস্তায় খড় জ্বালিয়ে অবরোধ করলেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, গতবছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা প্রকল্পে এই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। সেই মতো পাথর ফেলে রোলার চালানো হয়। কিন্তু, পিচ না করেই অজ্ঞাত কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সেই পাথর উঠে বিপজ্জনক রাস্তায় পরিণত হয়েছে। অথচ রাস্তাটির সংস্কারে কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের।
Advertisement
গতবছর নলহাটি থানা মোড় থেকে ঝাড়খণ্ড সীমানা বারসোর গ্রাম পর্যন্ত ১২ কিমি রাস্তাটির সংস্কারের কাজ শুরু হয়। প্রথম থেকেই নিম্নমানের কাজের অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন বাসিন্দারা। এরই মধ্যে নলহাটি থেকে বানিওর গ্রামের মোড় পর্যন্ত পাঁচকিমি রাস্তাটি সংস্কার করে পিচের করা হয়। বাকি সাত কিমি রাস্তায় পাথর বিছিয়ে রোলার চালানো হলেও পিচ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। প্রায় একবছর ধরে ওই অবস্থায় পড়ে থেকে বর্তমানে পাথর উঠে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে রাস্তাটি। তারই প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা এদিন সংকেতপুর গ্রামের কাছে রাস্তার উপর খড় জ্বালিয়ে অবরোধ করেন।
আন্দোলনকারী সৌভাগ্য মাল, চন্দ্রকান্ত মাল, অশোক সেন, কাণ্ডারী মাল বলেন, বারসোর থেকে বানিওর পর্যন্ত রাস্তা একদমই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পাথর উঠে যাওয়ায় মনে হচ্ছে রেল পথ। বানিওর থেকে নলহাটি পর্যন্ত রাস্তাটিরও পিচ উঠে গিয়ে জায়গায় জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনটি অঞ্চল ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তায় যাওয়া আসা করে। এই রাস্তার উপর দু’টি হাইস্কুল রয়েছে। এছাড়া নলহাটি কলেজ, রামপুরহাট মেডিক্যাল যাওয়ার এটি একমাত্র রাস্তা। পাথরের উপর দিয়ে যেতে গিয়ে বাইকের চাকা ফেটে যাচ্ছে। অনেক সাইকেল আরোহী পড়ে জখম হচ্ছেন। অথচ রাস্তা সংস্কারে কোনও হেলদোল নেই। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর খবর পেয়ে পুলিস এসে প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। আন্দোলনকারীরা নলহাটি বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানান। বিডিও সৌরভ মেহেতা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই এজেন্সিকে আমার চেম্বারে ডাকা হয়েছিল। সেখানে আন্দোলনকারীরাও ছিলেন। এজেন্সির একজন অসুস্থ থাকায় মাঝপথে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। আগামী শনিবার থেকে তারা কাজ শুরু করে দেবে। আন্দোলনকারীরা অবশ্য বলছেন, সরকারি সিডিউল অনুযায়ী সংস্কারের কাজ না করলে তাঁরা ফের আন্দোলনে নামবেন।
আন্দোলনকারী সৌভাগ্য মাল, চন্দ্রকান্ত মাল, অশোক সেন, কাণ্ডারী মাল বলেন, বারসোর থেকে বানিওর পর্যন্ত রাস্তা একদমই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পাথর উঠে যাওয়ায় মনে হচ্ছে রেল পথ। বানিওর থেকে নলহাটি পর্যন্ত রাস্তাটিরও পিচ উঠে গিয়ে জায়গায় জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনটি অঞ্চল ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তায় যাওয়া আসা করে। এই রাস্তার উপর দু’টি হাইস্কুল রয়েছে। এছাড়া নলহাটি কলেজ, রামপুরহাট মেডিক্যাল যাওয়ার এটি একমাত্র রাস্তা। পাথরের উপর দিয়ে যেতে গিয়ে বাইকের চাকা ফেটে যাচ্ছে। অনেক সাইকেল আরোহী পড়ে জখম হচ্ছেন। অথচ রাস্তা সংস্কারে কোনও হেলদোল নেই। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর খবর পেয়ে পুলিস এসে প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। আন্দোলনকারীরা নলহাটি বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানান। বিডিও সৌরভ মেহেতা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই এজেন্সিকে আমার চেম্বারে ডাকা হয়েছিল। সেখানে আন্দোলনকারীরাও ছিলেন। এজেন্সির একজন অসুস্থ থাকায় মাঝপথে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। আগামী শনিবার থেকে তারা কাজ শুরু করে দেবে। আন্দোলনকারীরা অবশ্য বলছেন, সরকারি সিডিউল অনুযায়ী সংস্কারের কাজ না করলে তাঁরা ফের আন্দোলনে নামবেন।



