নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কালীপুজোর ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে বেপরোয়া গতির বলি দুই। আরও দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার ভোরে দু’টি আলাদা দুর্ঘটনা ঘটে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড় ও বোলবাড়ির কাছে জাতীয় সড়কে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম বিশেষ পাল (২১) ও প্রীতম পাইন (২০)। এছাড়াও শিলিগুড়ির দু’টি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সঞ্চারি সরকার (১৯) ও অভিজিৎ পাইন (২২)। কালীপুজোর রাতে দু’টি পৃথক দুর্ঘটনায় জলপাইগুড়িতে তিনজনের মৃত্যু হয়। জখম হন দু’জন। ফলে দু’দিনে এই জেলায় বেপরোয়া গতির বলি হলেন পাঁচজন।
Advertisement
জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, প্রতিটি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেপরোয়া গতির গাড়ি ও বাইক আটকিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত বারোটা নাগাদ এক পরিচিতর কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন জলপাইগুড়ি শহরের বেগুনটারির বাসিন্দা বিশেষ পাল। জলপাইগুড়ি এসি কমার্স কলেজ থেকে এবারই স্নাতক হয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে বান্ধবী ছিলেন গাড়িতে। ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়িতে ঠাকুর দেখে তাঁরা লাটাগুড়ি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে বোলবাড়ি এলাকায় উল্টোদিক থেকে আসা একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় তাঁদের গাড়ির। দু’জনকেই গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। সেখানেই বিশেষ পালকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। জলপাইগুড়ির ৭৩ মোড় এলাকার বাসিন্দা তাঁর বান্ধবী সঞ্চারিকে সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ি সংলগ্ন জলপাইগুড়ি জেলার খোলাচাঁদফাঁপরি এলাকার ১৪ জন বন্ধু মিলে সাতটি বাইকে ঠাকুর দেখতে বের হন শুক্রবার রাতে। ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি ও জলপাইগুড়ি ঘুরে তাঁরা জাতীয় সড়ক ধরে শিলিগুড়ির দিকে ফিরছিলেন। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে পিছন থেকে একটি ডাম্পার এসে ধাক্কা মারলে গুরুতর জখম হন প্রীতম পাইন ও তাঁর কাকাতো ভাই অভিজিৎ পাইন। জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে মৃত্যু হয় প্রীতমের। অভিজিৎকে রেফার করা হয় শিলিগুড়িতে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত বারোটা নাগাদ এক পরিচিতর কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন জলপাইগুড়ি শহরের বেগুনটারির বাসিন্দা বিশেষ পাল। জলপাইগুড়ি এসি কমার্স কলেজ থেকে এবারই স্নাতক হয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে বান্ধবী ছিলেন গাড়িতে। ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়িতে ঠাকুর দেখে তাঁরা লাটাগুড়ি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে বোলবাড়ি এলাকায় উল্টোদিক থেকে আসা একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় তাঁদের গাড়ির। দু’জনকেই গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। সেখানেই বিশেষ পালকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। জলপাইগুড়ির ৭৩ মোড় এলাকার বাসিন্দা তাঁর বান্ধবী সঞ্চারিকে সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ি সংলগ্ন জলপাইগুড়ি জেলার খোলাচাঁদফাঁপরি এলাকার ১৪ জন বন্ধু মিলে সাতটি বাইকে ঠাকুর দেখতে বের হন শুক্রবার রাতে। ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি ও জলপাইগুড়ি ঘুরে তাঁরা জাতীয় সড়ক ধরে শিলিগুড়ির দিকে ফিরছিলেন। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে পিছন থেকে একটি ডাম্পার এসে ধাক্কা মারলে গুরুতর জখম হন প্রীতম পাইন ও তাঁর কাকাতো ভাই অভিজিৎ পাইন। জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে মৃত্যু হয় প্রীতমের। অভিজিৎকে রেফার করা হয় শিলিগুড়িতে।



