Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঠেক বদলে রমরমিয়ে মাদক কারবার, শিলিগুড়ি ও শহরতলিতে সাপ্লাই চেন ভাঙাই এবার লক্ষ্য পুলিসের  

ঠেক বদলে রমরমিয়ে মাদক কারবার, শিলিগুড়ি ও শহরতলিতে সাপ্লাই চেন ভাঙাই এবার লক্ষ্য পুলিসের
 
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি ও শহরতলিতে মাদক কারবারিদের বাড়বাড়ন্ত চলছে। মালদহ ও উত্তর পূর্ব ভারত থেকে আসছে মাদক। পরে সুযোগ ও পরিস্থিতি বুঝে তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে শহরজুড়ে। মাদক পাচারের কার্যত ‘গোডাউন’ হয়ে যাওয়া এলাকা চিহ্নিত করে চেন ধ্বংস করাই শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের মূল লক্ষ্য। লাগাতার অভিযান চালিয়ে মিলেছে সাফল্যও। তবে, গোপন ডেরা বারবার বদলে ‘সাপ্লাই চেন’ অব্যাহত রাখছে পাচারকারীরা। এবার সেই চেন ভাঙারই টার্গেট নিয়েছে পুলিস। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুলিস সূত্রে খবর, এই পেশায় হাত পাকাতে আসা পাচারকারীদের জেরা করে কারবার গুঁড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে পুলিস।
Advertisement
এই ব্যাপারে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা মাদক পাচারকারীদের মেরুদণ্ড ভাঙতে তাদের সাপ্লাই চেন নষ্ট করার লক্ষ্য নিয়েছি। অভিযান চালিয়ে পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। লাগাতার এই অভিযান চলবে। 
পুলিস সূত্রে খবর, মাটিগাড়ার বিশ্বাস কলোনি, বাগডোগরার গোঁসাইপুর, ইস্টার্ন বাইপাসের ভালোবাসা মোড়, কানকাটা মোড়, আশিঘরের একাধিক এলাকাকে ইতিমধ্যেই মাদক পাচারকারীদের প্রধান ঠেক বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকাগুলোতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। শিলিগুড়ি পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ(এসওজি), গোয়েন্দা বিভাগকে বাড়তি সতর্ক করা হয়েছে। সেই মোতাবেক নজরদারি চালাচ্ছেন পুলিস আধিকারিকরা। 
পুলিস সূত্রে খবর, মাঝেমধ্যে নিজেদের গোডাউন বদলায় পাচারকারীরা। এছাড়াও পুলিসের নজর হটাতে কুখ্যাত পাচারকারী থেকে মহিলা ও মাদকাসক্তদের একাংশকে মাদক পাচারের কাজে লাগানো হচ্ছে। 
গত বুধবার মাটিগাড়ায় এমনই এক মহিলা পাচারকারীকে ২৮ কিলো গাঁজা সহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বাড়ি ভাড়া নিয়ে মাটিগাড়া এলাকায় গাঁজার ব্যবসা চালাতো সে। সম্প্রতি, প্রধাননগর থানার পুলিস একাধিক অভিযান চালিয়ে কম বয়সী মাদকাসক্তদের বারবার গ্রেপ্তার করেছে। নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিসও একাধিক অভিযান চালিয়ে মহিলা সহ একাধিক পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করেছে। তাদের জেরা করে পাচারকারীদের মূল গোডাউন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই একাধিক এলাকা চিহ্নিত হয়েছে। পুলিসের দাবি, আশার কথা এটাই ঠেক বদলালেও এলাকা মোটামুটিভাবে একই থাকছে। তাই এলাকায় নজরদারি রেখে পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালালেই সাফল্য মিলছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ