


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে বিজেপি সমর্থিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের চলছে সিএএ ক্যাম্প ঘিরে বিতর্ক। শিবিরের ছাউনিতে ব্যবহৃত হয়েছে রাজ্য সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সরবরাহ করা ত্রিপল। এমন ঘটনায় বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল।
গাইঘাটার ঠাকুরবাড়ির একদিকে বিশাল নাটমন্দির। অন্যদিকে প্রয়াত বড়োমা বীণাপাণি ঠাকুরের মন্দির। মাঝখানে হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দির। নাটমন্দির থেকে বড়ো মায়ের মন্দিরের দূরত্ব মেরেকেটে ২০০ মিটার। একদিকে তৃণমূল প্রভাবিত মতুয়া সংগঠনের এসআইআরের প্রতিবাদে দলপতিদের আমরণ অনশন চলছে। বৃহস্পতিবার দেখা গেল ঠাকুরনগরে সিএএ ক্যাম্প চলছে শান্তনু ও সুব্রত ঠাকুরের। সুব্রতবাবুর বাড়ির সামনে করা হয়েছে একটি সিএএ ক্যাম্প। সেখানে টাঙানো রয়েছে লাল পতাকা। আর তার ছাউনিতে ব্যবহার করা হয়েছে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল। গায়ে স্পষ্টভাবে রাজ্য সরকারের লোগো ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার লেখা। এই ত্রিপল সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। কীভাবে তা ক্যাম্পে এল, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গাইঘাটার বিডিও নিলাদ্রী সরকার বলেন, এই ত্রিপল আমার দপ্তর থেকে দেওয়া হয়নি। এটা বিধায়কের নিজস্ব। এভাবে এই সামগ্রী ব্যবহার করা যায় না। গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, ক্যাম্পে একটা-দু’টো ইঁদুরে কাটা ত্রিপল ব্যবহৃত হতে পারে। এটা কোনও প্রশ্ন নয়। অন্য কিছু বলুন। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর বলেন, সত্যি লজ্জার। যে ত্রিপল দুর্গতদের দেওয়ার কথা তা বিজেপি সিএএ ক্যাম্পে ব্যবহার করছে। সরকারি সম্পদ অন্য কাজে ব্যবহৃত হলে নিয়মভঙ্গ করা হয়। প্রশাসনের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া। এনিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেট্টিকে ফোন করা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।-নিজস্ব চিত্র