Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

দেশের শীর্ষ কোর্টের সমালোচনা করায় নিশিকান্তদের বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

কংগ্রেস, তৃণমূলের মতো বিরোধীরা সমালোচনা করবে, তা তো স্বাভাবিক। কিন্তু ওয়াকফ আইন এবং বিধানসভায় পাশ বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে সময় বেঁধে দেওয়ার ইস্যুতে বিজেপির দুই সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ও দীনেশ শর্মা সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করায় অসন্তুষ্ট এনডিএ শরিকদেরও একাংশ।

দেশের শীর্ষ কোর্টের সমালোচনা করায় নিশিকান্তদের বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কংগ্রেস, তৃণমূলের মতো বিরোধীরা সমালোচনা করবে, তা তো স্বাভাবিক। কিন্তু ওয়াকফ আইন এবং বিধানসভায় পাশ বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে সময় বেঁধে দেওয়ার ইস্যুতে বিজেপির দুই সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ও দীনেশ শর্মা সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করায় অসন্তুষ্ট এনডিএ শরিকদেরও একাংশ। জেডিইউ, টিডিপি, হ্যামের মতো শরিক দল মোটেই খুশি নয়। বিশেষত, বিহার ভোটের আগে এ ধরনের মন্তব্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেই তাদের অভিমত। তাই বিজেপিকে তারা চাপ দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দু‌ই সাংসদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারই দাবি করেছে বলেই বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে। 

Advertisement

দলের দুই সাংসদের এহেন মন্তব্য যে বিজেপিকে বিপাকে ফেলবে, তা আন্দাজ করে তড়িঘড়ি ‘ওগুলি ব্যক্তিগত মতামত। দলের নয়।’ বলে সাফাই দিয়ে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন  বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। কিন্তু বিরোধী কেন সুযোগ ছাড়বে? কংগ্রেসের জয়রাম রমেশের প্রশ্ন, বিজেপির বিদায়ী সভাপতি নাড্ডা ড্যামেজ কন্ট্রোলের যতই চেষ্টা করুন না কেন, তা হবে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন চুপ? কেন দলের ওই দুই সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছেন না? কটাক্ষের সুরে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর মন্তব্য, পোষ্যরা তার মাস্টারের কথা ছাড়া এক পাও নড়ে না। এক্ষেত্রে বিচারবিভাগকে যেভাবে অপমান করা হচ্ছে, তা গোটা দেশ দেখছে। অত্যন্ত নিলর্জ্জভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। সমালোচনায় সরব হয়েছে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিও।
সামনে বিহারে ভোট। সেখানে যথেষ্ট পরিমাণ মুসলিম ভোটার রয়েছে। বিজেপি শরিক জেডিইউ যার অনেকটা সমর্থন পায়।  ফলে বিজেপি সাংসদের সুপ্রিম কোর্টকে সমালোচনায় ক্ষুব্ধ শরিকরা। জেডিইউ, হ্যাম আর টিডিপির কয়েকজন সাংসদ একান্তে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, অহেতুক উস্কানিমূলক কথা বলার কী দরকার? এ ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্বের উচিত কড়া পদক্ষেপ নেওয়া। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ